advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

এবার বাসের ধাক্কায় স্কুলছাত্র নিহত
আর কত প্রাণ ঝরলে টনক নড়বে

১ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০২১ ১১:০৬ পিএম
advertisement

অর্ধেক ভাড়া ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যেই এবার সড়ক দুর্ঘটনা ঘটল। গত সোমবার রাজধানীর রামপুরায় অনাবিল পরিবহনের বাসের ধাক্কায় স্কুলছাত্র মাঈনুদ্দীন দুর্জয় নিহত হয়। এর আগে গাড়িচাপায় নটর ডেম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নাঈম হাসান নিহত হয়। ২৪ নভেম্বর শিক্ষার্থী নাঈম গুলিস্তানে সড়ক পার হওয়ার সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয় এবং ২৫ নভেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের উল্টোদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ময়লার গাড়িচাপায় প্রাণ হারান আহসান কবির খান। এভাবে একের পর এক হত্যাকা- ঘটছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের টনক নড়ছে না। এটি খুবই দুঃখজনক।

বলার অপেক্ষা রাখে না, তারা জানেন কোনো দুর্ঘটনা ঘটলেও এর বিচার হবে না। পরিসংখ্যান জানায়, মাত্র ১০ শতাংশ দুর্ঘটনার বিচার হয়। ৯০ শতাংশ অভিযুক্ত দায়মুক্তি পেয়ে যান। ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই বিমানবন্দর সড়কে বেপরোয়া বাসের চাপায় দুই কলেজশিক্ষার্থী নিহত হলে সারাদেশের শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করেন। এর পর সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যক্তির নিহতের দায়ে পাঁচ বছরের সাজার বিধান রেখে সংসদে আইন পাস হয়। এ বছর আবার আইনটি সংশোধন করে জেল-জরিমানা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। যেখানে ‘কঠোর আইন’ থাকা সত্ত্বেও সড়কে হরহামেশা প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে, সেখানে শিথিল করলে যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে এবং সড়কে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়বে- এতে সন্দেহ নেই।

আমরা মনে করি, সরকারকে এটি উপলব্ধি করতে হবে- স্বার্থান্বেষী মহলের কাছে নতি স্বীকার নয়। সড়ক দুর্ঘটনা একটি গুরুতর জাতীয় সমস্যা। এ বিষয়ে কোনো ছাড় কাম্য নয়। সরকারের পাশাপাশি পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সচেষ্ট হতে হবে। এ ছাড়া যাত্রীসাধারণের সচেতনতাও বৃদ্ধি করতে হবে।

advertisement
advertisement