advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement

ইউরোপে ওমিক্রন ছিল শনাক্তের আগেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১ ডিসেম্বর ২০২১ ১১:৪০ পিএম
advertisement

করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনে কাঁপছে বিশ^। ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়ার পর এ নিয়ে উদ্বেগের শেষ নেই। ইতোমধ্যে অনেক দেশ সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। এদিকে গবেষকরা জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়ার আগেই ইউরোপের কয়েকটি দেশে এই অতিসংক্রামক ধরনের উপস্থিতি ছিল।

নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, ১১ নভেম্বর বতসোয়ানায় প্রথম করোনা ভাইরাসের নতুন এই ধরনটি শনাক্ত হয় এবং কয়েক দিনের মধ্যে পাওয়া যায় পাশের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায়। জিনোম সিকোয়েন্সিং করে দুই সপ্তাহ পর ‘ওমিক্রন’-এর উপস্থিতির কথা ঘোষণা করেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা। ধারণা করা হচ্ছে- গত ৯ নভেম্বরের কিছু নমুনায় প্রথম ওই ধরনটি পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা- পুরনো নমুনাগুলো পরীক্ষা করলে হয়তো দেখা যাবে, এর বিস্তার আরও আগে থেকেই শুরু হয়েছে। এদিকে এখন বিশে^ প্রায় প্রতিদিনই ওমিক্রনের বিস্তার বেড়েই চলছে। দীর্ঘ হচ্ছে ওমিক্রন শনাক্তের তালিকা। গতকাল সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ দেশটিতে ওমিক্রন শনাক্তের কথা জানিয়েছে। সব মিলিয়ে গতকাল পর্যন্ত বিশে^ ২২ দেশে প্রাণঘাতী এ ধরন শনাক্ত হয়েছে। এর বিস্তার ঠেকাতে অন্তত ৭০ দেশ ও অঞ্চল আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

ওমিক্রন প্রসঙ্গে আফ্রিকার সেন্টার ফল এপিডেমিক রেসপন্স অ্যান্ড ইনোভেশনের পরিচালক টুলিও টি আলজেরিয়া বলেন, অস্বাভাবিকভাবে এটি রূপান্তরিত হয়েছে এবং অন্য যে কোনো ধরন থেকে এটি আলাদা। তিনি বলেন, ‘এ ধরন আমাদের হতবাক করেছে।’ টি আলজেরিয়া বলেন, সব মিলে ৫০ বারের মতো জিনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়ে নতুন ওমিক্রন ধরন রূপ পেয়েছে। আর এর স্পাইক প্রোটিনের বৈশিষ্ট্য বদলেছে ৩০ বারের বেশি।

এদিকে ওমিক্রন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাজিদ জাভেদ সংবাদ সম্মেলনে জানান- এমনটি হতে পারে।

ইউরোপের অন্যান্য দেশেও এমন দেখা যাচ্ছে। আমরা শনাক্ত করতে তৎপরতা চালাচ্ছি- এটি বাড়তে পারে।