advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

নিয়ম ভেঙে তুলে নেওয়া হয় ৩৬৮৭ কোটি টাকা
জড়িতদের আইনের আওতায় আনুন

৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২ ডিসেম্বর ২০২১ ১০:১২ পিএম
advertisement

আমাদের দেশে কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান অনিয়ম ও দুর্নীতির সংক্রামক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। অর্থ আত্মসাতের মহোৎসব চলছে। দুর্নীতি থেকে শুরু করে যে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অব্যবস্থাপনা দেখা গেলে তা নিশ্চিতভাবেই উদ্বেগজনক বাস্তবতাকে স্পষ্ট করে। গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে- দুর্নীতি, রাজস্ব ফাঁকি, বকেয়া, আত্মসাৎ ও অব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ৩ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা ক্ষতি করেছে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাসপেন্ড পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে মানি লন্ডারিংয়ের ঘটনাও ঘটেছে। তারা নানা কৌশলে নিয়মবহির্ভূতভাবে এই টাকা তুলে নেন। কোম্পানির সাসপেন্ড পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এসব তথ্য জানা গেছে। এটি সত্যিই উদ্বেগজনক। ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ চার মাসের জন্য সাসপেন্ড করে আইডিআরএ। প্রশ্ন হলো, এভাবে এত টাকা আত্মসাৎ করা হলো। অথচ এতদিনে কেউই টের পেলেন না! আসলে দুর্নীতি আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। আর যারা এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের ক্ষমতায়ন দৃশ্যমান থাকলে দুর্নীতি দমন সম্ভব নয়। সামগ্রিক বিষয় আমলে নিতে হবে এবং বড় দুর্নীতির বিরুদ্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দুর্নীতি রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। আর তা করতে হবে আইনের শাসনের মাধ্যমে। অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দুর্বলতা কাটিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো যেন আবার উঠে দাঁড়াতে পারে, এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে হবে।

দুর্নীতি ও অসততার মাধ্যমে যারা জড়িত, তাদের কোনোভাবেই আর ছাড় দেওয়া যাবে না। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ কথা ভুলে যাওয়া যাবে না যে- দুর্নীতি যদি রোধ করা না যায়, তা হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সর্বত্রই। এটি কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

advertisement
advertisement