advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সৈয়দপুর বিমানবন্দরের রানওয়েতে শিয়াল আতঙ্ক
কার্যকর পদক্ষেপ নিন

৪ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১১:১২ পিএম
advertisement

দেশের অনেক বিমানবন্দরের রানওয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংরক্ষিত এলাকায় অবাধ যাতায়াত, নিত্য চুরির ঘটনা, চোরাচালানচক্রের দৌরাত্ম্য, অপরাধীদের বাধাহীন চলাফেরায় দেশের অতিগুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তার দিক থেকে বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা ধরা পড়েছে। এসব কারণে বারবার প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে। কিন্তু বাস্তবে গুরুত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পদক্ষেপ দেখা যায় না। গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে জানা যায়- সৈয়দপুর বিমানবন্দরের আশপাশের জঙ্গল থেকে শিয়ালসহ বিভিন্ন জীবজন্তু প্রায়ই রানওয়েতে উঠে পড়ে। এর ফলে যে কোনো কারণে বড় রকমের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। যেখানে প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৬টি উড়োজাহাজ ওঠানামা করে, সেখানে এত নিরাপত্তাহীনতা কেন? এ ছাড়া গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে উড্ডয়নের সময় বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজের পাখার ধাক্কায় দুটি গরুর মৃত্যু হয়। ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যান বিমানের ৯৪ আরোহী। সেখানেও বিমান অবতরণ ও উড্ডয়নের সময় প্রাচীরের ভাঙা অংশ দিয়ে মানুষসহ গরু-ছাগল অনায়াসে ঢুকে পড়ে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- বিমানবন্দরের মতো জায়গা এত অবহেলা কার স্বার্থে? জনগুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এত বিশৃঙ্খলা কেন? শাহজালাল আন্তর্জাতিকসহ অনেক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্নতায় নতুনত্ব কিছু নেই। অনেক দিন ধরেই এ নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। এটি স্পষ্ট যে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ অন্যগুলো যে কত অবহেলায় পড়ে আছে তা বোঝাই যাচ্ছে। নিরাপত্তাজনিত সমস্যার মূলে নিরাপত্তাকর্মী এবং যথাযথ নজরদারির ঘাটতি রয়েছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে সর্বাগ্রে। দেশের বিমানবন্দর নিয়ে সব উদ্বেগ দূর করতে হবে অবিলম্বে। সেজন্য বিমানবন্দরের চারদিকে নিরাপত্তা প্রাচীর নির্মাণ, প্রাচীরের সুড়ঙ্গ বন্ধ করতে হবে, ভেতরে যাতে মানুষ ও জীবজন্তু প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য লোক নিয়োগ দিতে হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তা সঠিক সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে। তবেই বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যাবে।

advertisement
advertisement