advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

শ্বশুরবাড়িতে ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামী পলাতক

শ্রীপুর ও কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি
৪ ডিসেম্বর ২০২১ ০২:০৬ পিএম | আপডেট: ৪ ডিসেম্বর ২০২১ ০২:০৬ পিএম
অভিযুক্ত ইমন। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

শ্বশুরবাড়িতে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে ইমন (২০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর স্বামী পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে কাপাসিয়া উপজেলার সিংহশ্রী ইউনিয়নের বড়বেড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূ মারুফা (১৪) ওই গ্রামের মো. মাসুদের মেয়ে। সে শ্রীপুরের বরমী বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। অভিযুক্ত ইমন শ্রীপুর উপজেলার বরকুল গ্রামের মো. এমদাদুল হকের ছেলে।

নিহত ছাত্রীর বাবা মাসুদ জানান, মারুফা বরকুল গ্রামে নানার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করতো। সে সময় ইমনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ কারণে ১১ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। ইমন কোনো কাজকর্ম না করায় মারুফার মা এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি করতো। তবে মেয়ে ও জামাইয়ের মাধ্যমে কোনো সমস্যা ছিল না।

সম্প্রতি ইমন একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নেয়। এ কারণে কিছুদিন যাবৎ মারুফা তার বাড়িতে থাকতো বলে জানান মাসুদ। তিনি বলেন, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে জামাই তার বাড়িতে আসে। সে খাওয়া-দাওয়া শেষে রাতে স্ত্রীকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। আজ শনিবার সকালে উঠে তিনি ঘরে মেয়ের মরদেহ দেখতে পান।

মাসুদ অভিযোগ করে বলেন, ইমন রাতে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে তার মেয়েকে হত্যা করেছে। পরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না বেধে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। পরে মেয়ের মরদেহ রেখে ইমন পালিয়ে যায়।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। খবর পেয়ে কাপাসিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজ উদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ.এফ.এম নাছিম জানান, গৃহবধূ হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। খুব দ্রুতই পালতক ইমনকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশি অভিযান চলছে।

advertisement
advertisement