advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

অভিবাসী নির্যাতনের দায়ে পর্তুগালে সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

মনির হোসেন,পর্তুগাল
১৮ ডিসেম্বর ২০২১ ০৭:৫৯ পিএম | আপডেট: ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ ০৭:৫৯ পিএম
ছবি : টেলার রিপোর্ট
advertisement

ইউরোপের অভিবাসীবান্ধব একটি দেশ পর্তুগাল। সহজ শর্তে বৈধতা লাভের ফলে দেশটিকে অভিবাসীদের স্বর্গ দেশও বলা যায়। দেশটিতে যে কেউ বৈধ বা অবৈধ উপায়ে প্রবেশ করলেও দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে অস্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পান। পরবর্তীতে বৈধভাবে পাঁচ বছর বসবাস করলে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে আবেদন করা যায়।

তবে সম্প্রতি পর্তুগালে অভিবাসীদের ওপর দেশটির ন্যাশনাল রিপাবলিকান গার্ডের (জিএনআর, সামরিক বাহিনী) সদস্যদের নির্যাতন বেড়েছে। সিএনএন পর্তুগাল ও দেশটির জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল টিবিআই’র অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সিএনএন পর্তুগালের বরাতে সংবাদমাধ্যম টেলার রিপোর্ট’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিবাসী নির্যাতনের অনেকগুলো ভিডিওর একটিতে নির্যাতনের চিত্র উঠে এসেছে। সেখানে দেখা যায়, অভিবাসী প্রত্যাশীদের ব্যাপক নির্যাতন করেছেন জিএনআর’র এজেন্টরা।

সামরিক বাহিনীর এসব ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, অপহরণ, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ ৩৩টি অভিযোগ আনা হয়েছে। টিবিআই’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ওডিমেরা শহরে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সাতজন জিএনআর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তাদের নির্যাতনের ঘটনা সত্যতা মিলেছে।

পরবর্তীতে ২০১৯ সালে তাদের বিরুদ্ধে ওডিমেরা ও ভেজাতে অভিবাসীদের অবমাননা ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করা হয়, যা দীর্ঘদিন বিচারাধীন ছিল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয় সেতুবাল জুডিশিয়াল পুলিশকে। গত ১৬ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ পায় কমিটি। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে পর্তুগালের প্রশাসন।

এরই মধ্যে চাকরিচ্যুতসহ এক থেকে তিন বছরের জেল দেওয়া হয়েছে সাত সামরিক কর্মকর্তাকে। নির্যাতিত অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশিরা রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীদের অনেকেই ইতোমধ্যে পর্তুগাল ছেড়েছেন বলে জানা গেছে।

advertisement
advertisement