advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পর্তুগালে ওমিক্রন ও বড়দিন উপলক্ষে নতুন নিষেধাজ্ঞা, আতঙ্কে প্রবাসীরা

মনির হোসেন,পর্তুগাল
২৪ ডিসেম্বর ২০২১ ০৯:৩৭ পিএম | আপডেট: ২৪ ডিসেম্বর ২০২১ ০৯:৫১ পিএম
পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তনিও কস্তা। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

পর্তুগালে বড়দিন এবং নতুন বছর উপলক্ষে আগামী ২ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আগে থেকেই কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। তবে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে আগামীকাল শনিবার থেকেই কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে পর্তুগিজ সরকার। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তনিও কস্তা এসব বিধিনিষেধ তুলে ধরেন।

২৪ থেকে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের অনুষ্ঠান এবং নতুন বছর উপলক্ষে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ স্থানে নতুন বছর উদযাপনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে করোনা টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।  ‘পাবলিক প্লেসে’ যেকোন অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এসব স্থানে ১০ জনের বেশি মানুষ একসঙ্গে না থাকার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পাবলিক প্লেসে অ্যালকোহল গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সুপার মার্কেট ও মিনি মার্কেটসহ সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে জনগণের উপস্থিতি সীমিত করা হয়েছে। সব পর্যটন কেন্দ্র বা অবকাশযাপন কেন্দ্র, ক্রীড়া অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রেও যেকোন প্রকার অনুষ্ঠানে করোনা টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক টেলি ওয়ার্ক ও ডে কেয়ার সেন্টার বন্ধ করা হয়েছে। আগামীকাল মধ্যরাত থেকে এটি কার্যকর হবে।

উৎসব উপলক্ষে করোনা টিকাদান কার্যক্রম ২৪, ২৫, ২৬ ও ৩১ ডিসেম্বর বন্ধ থাকবে। অপরদিকে ওমিক্রন ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার ফলে বিনামূল্যে করোনা টেস্টের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিনামূল্যে প্রতি মাসে চারটি করোনা টেস্টের জায়গায় এখন ছয়টি টেস্ট করানো যাবে। ফার্মেসিগুলোর সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

পর্তুগালে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী জুবায়ের আহমেদ বলেন, ‘করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনে পর্তুগিজসহ আমরা অনেকটা শঙ্কিত। দেশটির সরকার নানা বিধিনিষেধ আরোপ করার ফলে আমাদের রেঁস্তোরা ব্যবসায় ধস নেমেছে। সরকারি সহযোগিতা না পেলে সামনে আমাদের জন্যে আরও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে।’

advertisement
advertisement