advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

তদন্ত কমিটি গঠন
নম্বরপত্র জমা না দিয়েই বিদেশে গেছেন রাবির সাবেক উপাচার্য জামাতা

রাবি প্রতিনিধি
৩১ ডিসেম্বর ২০২১ ১১:১২ এএম | আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ ১১:২৮ এএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহানের জামাতা প্রভাষক এটিএম শাহেদ পারভেজদ পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করে নম্বরপত্র অনুষদে জমা না দিয়েই যুক্তরাজ্যে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) এই প্রভাষক শিক্ষা ছুটি ছাড়াই উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ পাড়ি জমিয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এসব অনিয়ম তদন্তের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫৫তম শিক্ষা পরিষদের সভায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইলিয়াছ হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা যায়, প্রভাষক শাহেদ পারভেজ শিক্ষা ছুটি না নিয়েই গত অক্টোবরে যুক্তরাজ্যে পাড়ি দিয়েছেন। যুক্তরাজ্যের বোর্নমাওথ বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ভর্তি হয়েছেন। তার কাছে থাকা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ ও পঞ্চম ব্যাচের পরীক্ষার খাতা তিনি মূল্যায়ন করে নম্বরপত্র অনুষদে জমা দেননি। নম্বরপত্র চেয়ে শাহেদ পারভেজের পরিবারের সঙ্গে অনুষদের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়। এরপর শাহেদ পারভেজের স্ত্রী ও সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সোবহানের কন্যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক সানজানা সোবহান ওই দুই কোর্সের নম্বরপত্র ইনস্টিটিউটে জমা দেন। তবে সেই নম্বরপত্রে প্রভাষক শাহেদ পারভেজের স্বাক্ষর নেই।

আরও জানা যায়, দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রভাষক শাহেদ পারভেজ জমা দেননি। যার ফলে এই বর্ষের পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এরই মধ্যে পরীক্ষা পেছানোর নোটিশ দিয়েছে ইনস্টিটিউট। এই বর্ষের ক্লাস অ্যাসেসমেন্টের নম্বরপত্রও জমা দেননি শাহেদ পারভেজ।

এ বিষয়ে ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক জিন্নাত আরা বলেন, ‘গত ২৮ ডিসেম্বর বোর্ড অফ গভর্নেন্সের সভায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ পেয়েছি। শাহেদ পারভেজ ইনস্টিটিউট থেকে ছুটি না নিয়েই দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। এমনকি তিনি কাউকে কোনো কিছুই জানাননি।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ইলিয়াছ হোসেন বলেন, ‘আইবিএ ইনস্টিটিউট থেকে ছুটি না নিয়ে তিনি চলে যাওয়ায় একাডেমিকভাবে ইনস্টিটিউট কিছুটা বিপদে পড়েছে। তার অভিযোগের বিষয়ে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিংয়ের জন্য এই কমিটি হয়েছে। আমরা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং করে সুপারিশ সিন্ডিকেটে পাঠাবো। তারপর সিন্ডিকেট সেই সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেবে।’

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রভাষক শাহেদ পারভেজের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

advertisement
advertisement