advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

যেখানে তদবির দরকার, চালাব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ জানুয়ারি ২০২২ ০৪:৫২ পিএম | আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২২ ০৯:১৪ পিএম
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। পুরোনো ছবি
advertisement

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ দেওয়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং দেশের স্বার্থে যেখানে প্রয়োজন সেখানে বাংলাদেশ তাদের (লবিস্ট) ব্যবহার করবে।

আজ শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল’ অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিলিয়া) আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে এটিকে আমরা তদবির বলি। যেখানে দরকার হবে সেখানে আমরা তদবির চালাব।’

গত বছরের ডিসেম্বরে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব) ও এর সাবেক ও বর্তমান ছয় কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নতুন করে কোনো লবিস্ট নিয়োগ করবে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলতে পারব না। আমেরিকার চর্চা এটি (লবিং)। এটা বোধ হয় ২০১৩-১৪ সালে করেছিল (লবিস্ট নিয়োগ) এবং ওরা কাজ করে। প্রত্যেক দেশেই... আমাদের দেশে আমরা তদবির বলি, ওই দেশে বলে প্রাতিষ্ঠানিক তদবির। যেখানে তদবির দরকার, সেখানে আমরা চালাবো। দেশেও তো কাজ করতে গেলে অনেক সময় তদবির লাগে।’

২০১৮ সালে বিএনপির লবিস্ট নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি এগুলো জানি না। তবে তাদের অধিকার আছে আইনি কাঠামোর অধীনে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার। বিএনপি বা অন্য যে কেউ এটি করুক, এটা তাদের মাথাব্যাথা, আমার না।’

র‌্যাবের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সময়-সময় আমাদের অনেক ধরনের দুর্যোগ আসে এবং সেগুলো আমরা সমাধান করি। এখন আমাদের একটা সমস্যা আসছে, সেটি আমরা সমাধান করতে পারব। আমেরিকানরা পরিপক্ব জাতি। তারা দেখবে। যদিও র‍্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে গত কয়েক বছরে সন্ত্রাস কমেছে। এটা তাদের নিরপেক্ষ সমীক্ষা। সেগুলো নিয়ে তারা চিন্তাভাবনা করবে। পৃথিবীজুড়ে সন্ত্রাস দূর করা ও সন্ত্রাসীদের ধরা তাদের লক্ষ্য। মাদক ও মানব পাচার কমানো তাদের লক্ষ্য। র‍্যাব এগুলো সফলভাবেই করছে। এ কারণেই র‍্যাব জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। আমার মনে হয় সবাই এটা বুঝবে। তখন হয়তো অবস্থার পরিবর্তন হবে।’

গণতান্ত্রিক কারণেই এ দেশ সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রে অনেক ধাক্কা আসে। সব গণতন্ত্রেই অপরিপূর্ণতা আছে। এটা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমরা দিনে দিনে পরিপক্বতা অর্জন করেছি। আমেরিকা পরিপক্বতা অর্জন করার মধ্যেও ধাক্কা খায়। এ ধরনের ধাক্কাটাক্কা আসে। কোথাও দুর্বলতা থাকলে আমরা অবশ্যই তা দূর করার চেষ্টা করব।’

advertisement
advertisement