advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জমি দখলে বাধা, মা-মেয়েকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

রংপুর ব্যুরো
১৫ জানুয়ারি ২০২২ ০৪:০১ পিএম | আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ০৫:৪৬ পিএম
রংপুরের পীরগাছায় মা-মেয়েকে গাছে বেঁধে নির্যাতন। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

রংপুরের পীরগাছায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে মা-মেয়েকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করেছে প্রতিপক্ষরা। গতকাল শুক্রবার দুপুরে মা-মেয়েকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করা হলে সঙ্গে সঙ্গে তা ভাইরাল হয়ে যায়। পরে ওই রাতে ঘটনার মূলহোতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে ১৭ জনকে আসামি করে পীরগাছা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। গত বুধবার উপজেলার পারুল ইউনিয়নের অনন্দি ধনিরাম গ্রামে নির্যাতনের এই ঘটনাটি ঘটে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, অনন্দি ধনিরাম গ্রামের শাজাহান মিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী জিয়ারুল মিয়ার জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। গত বুধবার সকালে জিয়ারুল ও তার লোকজন শাজাহানের জমি দখল করে গাছ ও রাস্তা কাটতে থাকেন। এ সময় শাজাহান ও তার পরিবারের লোকজন বাঁধা দেয়। এতে জিয়ারুল ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে শাজাহানের স্ত্রী গোলাপী বেগম ও মেয়ে রাবেয়া বেগমকে গাছে বেঁধে নির্যাতন চালায়। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ লাইনে ফোন দিলে পীরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে শুক্রবার দুপুরে মা-মেয়েকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করা হলে সঙ্গে সঙ্গে তা ভাইরাল হয়ে যায়।

শাজাহান মিয়া জানান, জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে জিয়ারুল ও তার লোকজন আমার স্ত্রী এবং মেয়েকে গাছে বেঁধে নির্যাতন চালিয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

পারুল ইউনিয়নের সদস্য আব্দুল খালেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মা-মেয়েকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়টি আমি শুনেছি। ভুক্তভোগীদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

এ ব্যাপারে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুকুর মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘শুক্রবার রাতে মামলার প্রধান আসামি জিয়ারুলসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।’

advertisement
advertisement