advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement

সংরক্ষিত হলো শাহ আবদুল করিমের গান

বিনোদন প্রতিবেদক
১৬ জানুয়ারি ২০২২ ০১:০৩ পিএম | আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২২ ০১:০৬ পিএম
বাউল শাহ আবদুল করিম। পুরোনো ছবি
advertisement

বাংলার হাওর অঞ্চলের গানকে বিশ্ব দরবারে নিয়ে গেছেন কিংবদন্তি বাউল শাহ আবদুল করিম। ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তিনি পাড়ি জমান না ফেরার দেশে। তবে বাউলের জীবদ্দশা থেকেই তার গান গেয়ে বা রিমেক করে দেশ-বিদেশে নাম-অর্থ কুড়িয়েছেন অসংখ্য গায়ক ও সাধারণ মানুষজন। সেই ধারাবাহিকতা এখনো চলছে।

বিপরীতে করিম পরিবার এখনো পড়ে আছে হাওর অঞ্চলের নিভৃতে। তবে এবার শাহ আবদুল করিমের লেখা-সুর করা ৪৭২টি গান বাংলাদেশ কপিরাইট বোর্ডে মালিকানা সংরক্ষিত হয়েছে।

বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন শাহ আবদুল করিমের একমাত্র ছেলে বাউল শাহ নূর জালাল। তিনি জানান, বাংলাদেশে কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার জাফর রাজা চৌধুরীর আগ্রহ আর সংগীতশিল্পী জুয়েল মোর্শেদ ও সারোয়ার শুভর উদ্যোগে এই কাজটি সম্পন্ন হয়েছে।

কপিরাইট অফিসে জুয়েল মোর্শেদ, শাহ নূর জালাল ও জাফর রাজা চৌধুরী

তিনি আরও জানান, শাহ আবদুল করিমের গানের সংখ্যা প্রায় ৭০০। তবে সবগুলো গানের সঠিক পাণ্ডুলিপি বা ট্র্যাক সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। সে জন্যই ৪৭২টি গান সংরক্ষিত করা হলো। বাকি গানগুলো অনুসন্ধানের কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, শাহ আবদুল করিমের জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘বন্দে মায়া লাগাইছে’, ‘কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু ছেড়ে যাইবা যদি’, ‘বসন্ত বাতাসে সই গো’, ‘তুমি মানুষ আমিও মানুষ’, ‘প্রাণে সহে না দুঃখ বলবো কারে’, ‘কোন মেস্তোরি নাও বানাইছে’, ‘ওরে ভব সাগরের নাইয়া’সহ অসংখ্য গান।