advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement

পুরো বিষয়টি নিয়ে নোংরামি করা হচ্ছে : জায়েদ

বিনোদন প্রতিবেদক
২০ জানুয়ারি ২০২২ ০১:১৩ পিএম | আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২২ ০৫:৪২ পিএম
জায়েদ খান। পুরোনো ছবি
advertisement

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য ও নায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যার বিষয়টি নিয়ে আপাতত বেশ উত্তপ্ত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)। ১৮৪ জন চলচ্চিত্র শিল্পীর ভোটাধিকার হারানোর তালিকায় ছিল প্রয়াত এই অভিনেত্রীর নামও। সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের সঙ্গে একাধিকবার দ্বন্দ্বেও জড়িয়েছেন তিনি। আর সেটাকে ইস্যু করা হচ্ছে বলে দাবি জায়েদের। তিনি জানান, ‌শিমুর সঙ্গে তাকে জড়িয়ে কয়েকভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে গত ৪৮ ঘণ্টায়।

গতকাল বুধবার রাতে জায়েদ খান বলেন, ‘দুদিন আগে শিমুর ভাই (খোকন) এফডিসিতে আসেন। এসেই আমাকে বলেন, তার বোনকে পাওয়া যাচ্ছে না। শিমু আমার দেশি বোন। আমি দ্রুত কলাবাগান থানায় ফোন দেই। কর্মকর্তাকে বিষয়টি দেখার জন্য বলি। কলাবাগান থানার সেই কর্মকর্তা আমার ঘনিষ্ঠজন। এরপর খোকন আমাকে জানায়, বস্তবন্দি লাশের কথা। তখন থেকেই আমি দৌড়ঝাঁপ করছি।’

এরপর থেকেই তার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন জায়েদ। তার ভাষ্য, ‘খোকনকে নানা ধরনের সহযোগীতা করে সমিতির একটি কাজ শেষ করে বাসায় ফিরেছি, তখন ফোন আসা শুরু হয়। একজন বলেন, “তুমি নাকি শিমুকে খুন করেছ, বাসায় ছিলে” এগুলো দিয়ে নানা কথা টিভিতে প্রচার হচ্ছে। এর মধ্যে প্রশাসন থেকে ফোন আসে। বলে, “আমি যেন সাবধানে থাকি। আসল অপরাধী আড়ালে চলে যাবে”- এমন সব তথ্য। এর মধ্যে আরও একটা ঘটনা ঘটে। “শিমু হত্যায় জায়েদ খানের বিচার চাই” লিখে ব্যানার বানাতে দেওয়া হয়েছে। এতে আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে দেখে একজন আমাকে বিষয়টি জানান। এখন আপনারাই বলেন, আমি যদি শিমুকে উদ্ধারে তার ভাইয়ের সঙ্গে না থাকতাম তাহলে আমি কোথায় যেতাম? নিশ্চয়ই এতক্ষণে গ্রেপ্তার করা হতো!’

জায়েদ অভিযোগ করে বলেন, ‘শিমুর ভাইকেও কয়েকজন প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। বলেছেন, “তুমি সন্দেহ করে খালি জায়েদের নাম বলো”। খোকন ভাই-ই আমাকে তাদের নাম বলেছেন। পুরো বিষয়টি নিয়ে নোংরামি করা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, গত ১৭ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ হযরতপুর ব্রিজের পাশ থেকে বস্তাবন্দি চিত্রনায়িকা শিমুর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। এদিন রাতেই শিমুর পরিবার মর্গে তার মরদেহ শনাক্ত করে।

১৯৯৮ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘বর্তমান’ সিনেমা দিয়ে রুপালি পর্দায় তার অভিষেক হয়। একে একে অভিনয় করেছেন ৫০টিরও বেশি নাটকে। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও দর্শকরা তাকে পর্দায় পেয়েছে। ২৩টি সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছিলেন বলে জানা গেছে।