advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement

স্বামীকে গলাটিপে হত্যা : স্ত্রী মিটফোর্ড কর্মচারী শেফালীর যাবজ্জীবন

আদালত প্রতিবেদক
২৫ জানুয়ারি ২০২২ ০৫:৩৭ পিএম | আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২২ ০৬:৪৩ পিএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

স্বামী যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাইদ হাসান বাদলকে গলাটিপে হত্যা মামলায় স্ত্রী মিটফোর্ড হাসপাতালের এমএলএসএস শেফালীসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আসামিদের কারাদণ্ডের সঙ্গে প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক মাস করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেসমিন আরা বেগম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আসামিদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি হলেন-শেফালীর আত্মীয় নয়ন ও আক্কাস বেপারী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মামলার ভিকটিম সাইদ হাসান বাদল (৪০) ১৯৯২ সাল থেকে ২০০৮ সালের ২ নভেম্বর পর্যন্ত স্যার সলিমুল্লাহ মিটফোর্ড হাসপাতালের অ্যাকাউন্টস সেকশনে অফিস সহকারী হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯৯ সালে সে হাসপাতালে কর্মরত এমএলএসএস  শেফালীকে (৫০) গোপনে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তাদের ঘরে কন্যা সন্তান বৃথি (১৩) জন্মগ্রহণ করে। এরপর ২০০৮ সালে সাইদ আমেরিকায় চলে যায়। এরপর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়। সাঈদ ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নগদ ১০ হাজার ইউএস ডলার ও মালামালসহ বাংলাদেশ বিমান বন্দরে পৌঁছায়।

এসময় সাঈদের ভাতিজা জাহিদ হাসান প্রাইভেটকারে নিয়ে তাকে রিসিভ করতে যায়। সাইদ দেশে আসার খবর শুনে তার স্ত্রী শেফালীও বিমান বন্দরে যায়। বিমান বন্দর থেকে সাইদ হাসান বাদলকে রিসিভ করে জাহিদ হাসানের প্রাইভেট কারে করে বাদল ও তার স্ত্রী শেফালী এবং মালামালের লাগেজসহ আসার পথিমধ্যে শেফালী বাদলকে শসা খাওয়ায়। এরপর সাইদ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মিটফোর্ড হাসাপাতালে অচেতন অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়াকালীন চিকিৎসক সাইদ হাসান বাদলকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় সাইদের ভাই ডা. শহিদ হাসান কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৪ জুন পুলিশ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ৩০ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। পরে বিভিন্ন সময় আদালত ১৬ জনের সাক্ষ্য নেন।