advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement

পি কে হালদারকে দ্রুত ফেরাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
১৪ মে ২০২২ ০৬:১৬ পিএম | আপডেট: ১৪ মে ২০২২ ০৯:২৮ পিএম
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। পুরোনো ছবি
advertisement

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) ভারতে গ্রেপ্তার হওয়ার বিষয়ে আমরা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানি না। তবে জানামাত্র তাকে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আজ শনিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে চন্দ্রাবতী একাডেমি আয়োজিত জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের স্মরণসভা ও আলোকচিত্র গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা নিয়ে দুদক কাজ করছে। অনেকে নামে-বেনামে দেশ থেকে টাকা পাচার করছে। তারা দেশের শত্রু। তাদের ধরে নিয়ে আসা ভালো। পি কে হালেদারের মতো ধরে নিয়ে আসার মতো দুই-একটি দৃষ্টান্ত হলে তা আরও ভালো হবে।

সুরের ধারার চেয়ারম্যান ও প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ সামাদ। অনুষ্ঠানে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের বিভিন্ন আলোকচিত্র নিয়ে কবি মারুফুল ইসলাম রচিত ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

এদিকে, কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের উপ-হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস আমাদের সময়কে বলেন, ‘এখনো প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানি না। জানলে আপনাদের জানাব। জানালে পরবর্তীতে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা আমরা দেখব।’

দেশ থেকে হাজার কোটি টাকা পাচার করা এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারসহ ছয়জনকে ভারতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইনফর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তাদের গ্রেপ্তার করে।

এর আগে গতকাল শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের অন্তত ৯টি স্থানে অভিযান চালায় ইডি। কলকাতা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগর পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত পি কে হালদারের সহযোগী সুকুমার মৃধা।