advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী
সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২২ জুন ২০২২ ১১:২৭ পিএম
advertisement

সব দলের অংশগ্রহণে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রের বিকাশ ও অগ্রযাত্রায় আওয়ামী লীগই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার আন্তরিক ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছে। গতকাল জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা।

advertisement

আগামী নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ পরিকল্পনা আছে কিনা, তা জানতে চেয়েছিলেন এমপি বাবলা। লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন। তাদের চাহিদা অনুযায়ী সরকার সহায়তা করে থাকে। আশা করি, সব রাজনৈতিক দলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান কমিশন সংবিধান ও প্রচলিত আইনের অধীনে জাতীয় সংসদসহ সব ধরনের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে বদ্ধপরিকর। সব দলের নির্বাচনে অংশগ্রহণসহ দলীয় কার্যক্রম নির্বিঘেœ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিএনপি ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার নিবন্ধন করেছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সরকার ভোটার তালিকা আইন এবং জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ আইন প্রণয়ন করেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম মনিটরিং এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষার্থে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয়ে

থাকে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী এলাকার জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে জনসাধারণকে ইভিএম সম্পর্কে অবহিত করার জন্য ডেমোনস্ট্রেশন এবং ভোটার শিক্ষণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমামের প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী জানান, মেগা প্রকল্প অনুমোদনের আগে যথাযথ আর্থিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ফলে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের বিরূপ কোনো প্রভাবের আশঙ্কা নেই। এ কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নের ধারা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, মেগা প্রকল্পগুলোর অধিকাংশ বৈদেশিক ঋণ বা অনুদান সহায়তায় গ্রহণ করা হলেও এসব ঋণ নমনীয় প্রকৃতির। সুদের হার তুলনামূলক কম ও ঋণ পরিশোধের মেয়াদ এবং গ্রেস পিরিয়ডও অনেক। উন্নয়ন সংস্থার দেওয়া ঋণের অর্থ অবমুক্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের কোনো জটিলতা দেখা যায়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সরকারি দলের সদস্য আফজাল হোসেনের প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কোভিড-১৯ সংকট মোকাবিলায় এবং অর্থনীতিতে এর বিরূপ প্রভাব কাটিয়ে উঠতে চারটি প্রধান কৌশলগত দিক সংবলিত স্বল্প, মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে একটি সামগ্রিক কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব কৌশলের আলোকে এ পর্যন্ত এক লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকার ২৮টি আর্থিক ও প্রণোদনা প্যাকেজ চালু ও তা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

#

advertisement