advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ত্রাণ পাচ্ছে না তিস্তাপারের পানিবন্দি সহস্রাধিক পরিবার

হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি
২৩ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২২ জুন ২০২২ ১১:৪৬ পিএম
advertisement

তিস্তায় চলছে সতর্ক সংকেত। ব্যারাজের সব গেট খুলে দিয়ে পানির গতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চলছে। তিস্তা নদীর পানি কখনো বিপদসীমার ওপরে, কখনো বিপদসীমার নিচে। ফলে সকালে পানি বসতবাড়ি থেকে নেমে গেলেও বিকালে আবারও পানিবন্দি হচ্ছে তিস্তা পারের হাজার হাজার পরিবার। সব মিলে তিস্তা পারে এখন চলছে আতঙ্ক। উপজেলার পানিবন্দি ১০ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ চললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারে নগণ্য। ফলে ত্রাণ নিয়ে তিস্তা পারে লোকজনের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

advertisement

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া পয়েন্টের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা-উদ-দৌল্লা বলেন, গত সোমবার তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে রাত পর্যন্ত ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও মঙ্গলবার সকালে পানি কমে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই। দুপুর ১২টায় পানি বেড়ে আবারও বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে ও ৩টায় বিপদসীমার ২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। গতকাল সকাল ৯টায় আবারও পানি নেমে গিয়ে বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে নদীর তীরবর্তী প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। পানি কমা বাড়া করায় ভাঙনের শিকার হচ্ছে তীরবর্তী পরিবারগুলো। পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি গেট খুলে দিয়েছে ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ।

পানিবন্দি পরিবারগুলোর অভিযোগ, তারা দুই এক দিন পর পর পানিবন্দি হচ্ছে। কিন্তু সেভাবে ত্রাণ পাচ্ছে না। ত্রাণের ১০ কেজি চাল দিয়ে তাদের কিছুই হচ্ছে না। তারা আরও ত্রাণ বিতরণের দাবি তুলেছেন।

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল, পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মজিবুল আলম সাহাদ ও ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মশিউর রহমান জানান, তাদের ইউনিয়নে যে পরিমাণ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সে তুলনায় তারা ত্রাণ দিতে পারছে না। প্রতিদিন ত্রাণের জন্য লোকজন ইউনিয়ন পরিষদে ভিড় করছেন।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর জানান, ত্রাণের কোনো সংকট নেই। ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

advertisement