advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গজারিয়ায় উপহারের ঘর রক্ষার গাইড ওয়ালে ফাটল

গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা
২৩ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২২ জুন ২০২২ ১১:৪৬ পিএম
advertisement

গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের বড় রায়পাড়া এলাকায় মেঘনা নদীর তীরঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছিল মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ২০টি ঘর। তবে গত কয়েক দিনে মেঘনার ঢেউয়ের তোড়ে ঘরগুলোর সামনে নির্মিত গাইড ওয়ালে দেখা দিয়েছে ফাটল। ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরগুলো।

advertisement

খবর পেয়ে গতকাল বেলা ১১টার দিকে সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং করণীয় ঠিক করতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল। পরে তিনি প্রকৌশলীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের মতামতের ভিত্তিতে গাইড ওয়ালের ভাঙন প্রতিরোধকল্পে অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল কাদির মিয়া, গজারিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি সৈয়দ ইয়াসমিন সুলতানা, মুন্সীগঞ্জের গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খাইরুজ্জামান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী পরিতোষ চন্দ্র দাস, মুন্সীগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আতাউর রহমান নেকি খোকন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা আক্তার আঁখি, বালুয়াকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুজ্জামান জুয়েল সরকার, ভবেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সাহিদ মো. লিটন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম বলেন, যেহেতু বর্ষা মৌসুম চলমান, আর কয়েকদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে বৃষ্টি হচ্ছে, এ অবস্থায় বড় কোনো কাজ করা যাবে না। আপাতত জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করবেন তারা। পরবর্তীতে ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের বড় রায়পাড়া মেঘনা নদীর তীরঘেঁষে মুজিববর্ষের ঘর নির্মাণের স্থান নির্বাচন করার পর থেকে এলাকাবাসী প্রকল্পটির স্থায়ীত্বের স্বার্থে সেটিকে অন্য কোথাও সরিয়ে নিতে আহ্বান জানান; কিন্তু এলাকাবাসী সে দাবি উপেক্ষা করে সেখানেই গৃহ নির্মাণের কাজ চালিয়ে যায় উপজেলা প্রশাসন। কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন ওঠে জনমনে। এর মধ্যে হালকা বৃষ্টিতে একটি ঘরের কিছু অংশ ধসে পড়লে সে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর পর গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি।

advertisement