advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ব্যাটসম্যানদের অগ্নিপরীক্ষা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২৪ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৩ জুন ২০২২ ১০:১৫ পিএম
advertisement

দলে একঝাঁক তারকা খেলোয়াড় থাকার পরও টেস্টে বাংলাদেশ দল প্রত্যাশিত ফল পাচ্ছে না। অধিকাংশ ম্যাচই হারছে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায়। এ ছাড়া ফিল্ডিংও ভালো হচ্ছে না। প্রতিটি ম্যাচেই ফিল্ডাররা ক্যাচ মিস করছেন। রিভিউয়ের সঠিক ব্যবহারও করতে পারছে না দল। এসব কারণেই হারের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছেন টাইগাররা। এ বছর সাতটি টেস্ট ম্যাচ খেলে একটি জয়ের বিপরীতে হার পাঁচটি। ড্র একটি। শ্রীলংকা সিরিজের চট্টগ্রাম টেস্ট বাদ দিলে শেষ ৫ ম্যাচেই হারের তেতো স্বাদ পেতে হয়েছে। সবশেষ অ্যান্টিগা টেস্ট হারের জন্য ‘কাঠগড়ায়’ তোলা হয়েছে ব্যাটসম্যানদের। প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেছেন, ব্যাটসম্যানদের আত্মবিশ^াসে ঘাটতি ছিল। নতুন টেস্ট অধিনায়ক সাকিবের চোখে ব্যাটসম্যানদের টেকনিকে সমস্যা ধরা পড়েছে। ব্যাটসম্যানরা ধারাবাহিক ব্যর্থ হচ্ছেন; দলও আশানুরূপ ফল পাচ্ছে না। ব্যাটসম্যানদের সামনে এবার অগ্নিপরীক্ষা। আজ থেকে শুরু হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশের মধ্যকার সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। সেন্ট লুসিয়া টেস্টে ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে দায়িত্বশীল ইনিংস আশা করছেন সাকিব আল হাসান।

advertisement

টেস্টে বাংলাদেশের টপঅর্ডার বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। মাহমুদুল জয়, নাজমুল শান্ত, মুমিনুল হকরা মলিন। তার পরও তাদের বারবার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তবে সেন্ট লুসিয়া টেস্টে একাধিক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে বাংলাদেশ একাদশে। ৮ বছর পর সাদা পোশাকে এনামুল হক বিজয়ের মাঠে নামার সম্ভাবনা বেশি। মুমিনুলকে হয়তো আরেকটা ‘শেষ সুযোগ’ দিতে পারেন টিম ম্যানেজমেন্ট। সে ক্ষেত্রে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে নাজমুল শান্তকে। আবার শান্তকে খেলানো হলে বিশ্রাম দেওয়া হবে মুমিনুলকে। এমনটিই জানা গেছে। বোলিং বিভাগেও অন্তত একটি পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। টেস্টের প্রতি অনীহা রয়েছে মোস্তাফিজের। প্রথম টেস্টে খুব বেশি বোলিং করানো হয়নি তাকে দিয়ে। তবে ভালো বোলিং করেছেন কাটার মাস্টার। একটি উইকেট পেয়েছিলেন। সেন্ট লুসিয়া টেস্টে মোস্তাফিজকে বিশ্রাম দিয়ে শরিফুলকে খেলানোর সম্ভাবনা বেশি।

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম টেস্ট ম্যাচেই বড় হারের তেতো স্বাদ পেয়েছেন অধিনায়ক সাকিব। ব্যাটিং ব্যর্থতায় অ্যান্টিগা টেস্ট চার দিনে হেরেছে বাংলাদেশ। তবে সাকিব ছিলেন উজ্জ্বল। দুই ইনিংসেই ৫০ ছাড়ানো ইনিংস খেলেছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। প্রথম ইনিংসে ডাক মারলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫০ ছাড়ানো ইনিংস খেলেন নুরুল হাসান সোহান। তবে ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে শেষ ম্যাচে একাদশে সুযোগ পাওয়া প্রত্যেকের কাছ থেকেই নিজেদের সেরাটা চান সাকিব। বোলিং বিভাগ নিয়ে অধিনায়ক-কোচের কোনো অভিযোগ নেই। লেটার মার্কসই পাচ্ছেন মিরাজ, খালেদ, এবাদতরা। সমস্যাটা ব্যাটিং বিভাগের। সাকিব ছাড়াও দলে তামিমের মতো সিনিয়র ক্রিকেটার আছেন। লিটনও সাদা পোশাকে উজ্জ্বল। অ্যান্টিগা টেস্ট যদিও তার ভালো যায়নি। এ ছাড়া মুমিনুলও অভিজ্ঞ। যদিও শেষ টেস্টে তার খেলার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ম্যাচের রেজাল্ট নিজেদের পক্ষে আসতে হলে টপঅর্ডারের পারফরম করাটা জরুরি। সাকিবও সেটিই চান। অগ্নিপরীক্ষায় ব্যাটসম্যানরা সফল হন নাকি আবারও ব্যর্থতার মিছিলে নাম লেখান এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

advertisement