advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিজ্ঞানী আবদুল মতিনের মৃত্যু

২৪ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২২ ১১:৩৬ পিএম
advertisement

বাংলাদেশে শিক্ষা ও বিজ্ঞান গবেষণায় এক অনন্য ব্যক্তিত্ব আবদুল মতিন চৌধুরী। পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার নির্বাচনী কমিটির এশীয় বিভাগের সদস্যসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকে তিনি নিজ মেধা ও যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। ১৯৮১ সালের ২৪ জুন

advertisement

চিরবিদায় নেন খ্যাতিমান এই বিজ্ঞান গবেষক।

আবদুল মতিন চৌধুরীর জন্ম ১৯২১ সালের ১ মে লক্ষ্মীপুর জেলার নন্দনপুর গ্রামে। তিনি নোয়াখালীর অরুণচন্দ্র হাইস্কুল থেকে ১৯৩৭ সালে প্রবেশিকা, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে ১৯৩৯ সালে আইএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪২ সালে পদার্থবিজ্ঞানে বিএসসি (সম্মান) ও ১৯৪৩ সালে এমএসসি পাস করেন। এরপর তিনি সরকারি বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল বায়ুম-ল। ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয়বার তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

আবদুল মতিন চৌধুরীর কর্মজীবনের সূচনা আবহাওয়া অধিদপ্তরে আবহাওয়াবিদ হিসেবে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপনা করেন। স্বাধীনতার আগে আবদুল মতিন পাকিস্তান আণবিক শক্তি কমিশনের সদস্য, পাকিস্তান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান বিজ্ঞানী এবং প্রেসিডেন্টের বিজ্ঞান উপদেষ্টা ছিলেন। এ ছাড়া নেহরু শান্তি পুরস্কার কমিটির সদস্য এবং ব্রিটেনের রয়্যাল মেটিরিয়লজিক্যাল সোসাইটির ফেলো ছিলেন তিনি।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আবদুল মতিন ছিলেন পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি। স্বাধীনতার পর মুক্ত হয়ে ঢাকায় আসেন এবং ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উলকসন কলেজ তাকে ১৯৭৬ সালে ভিজিটিং ফেলোশিপ প্রদান করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী সত্যেন বোসের নামে একটি চেয়ার স্থাপন করে এবং আবদুল মতিনকে সম্মানসূচক ‘বোস অধ্যাপক’ পদ প্রদান করে।

advertisement