advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঢাবির জগন্নাথ হলে ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জুন ২০২২ ১১:৩৮ পিএম | আপডেট: ২৩ জুন ২০২২ ১১:৫৪ পিএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ কর্মীর দাবি, ‘ব্যক্তিগত আক্রোশের’ জেরে মারধর করে তাকে জগন্নাথ হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

তবে হল শাখা ছাত্রলীগের একটি পক্ষের অভিযোগ, চুরি ও মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকায় ওই ছাত্রকে হল থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার বিকেলে জগন্নাথ হলের ৭০১২ নম্বর কক্ষে এই মারধরের ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী উৎসব রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। তার অভিযোগ, হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সত্যজিৎ দেবনাথের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জন তার ওপর হামলা চালিয়েছে।

এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার হল প্রাধ্যক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন উৎসব। সেখানে তিনি বলেন, তাকে মারতে মারতে কক্ষ থেকে টেনেহিঁচড়ে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। হলে ফিরলে প্রাণনাশের হুমকি দেন হামলাকারীরা।

সত্যজিৎ দেবনাথ মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, হলের সবাই মিলে উৎসবকে হল থেকে বিতাড়িত করেছে। তার বিরুদ্ধে ছিনতাই, মাদক সেবনসহ অনেক অভিযোগ আছে।

অভিযোগে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত হলেন ভূতত্ত্ব বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ও জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সত্যজিৎ দেবনাথ। অন্যরা হলেন ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের বাঁধন, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সবুজ কুমার, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শুভ সাহা, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের রাজীব বিশ্বাস ও গণেশ ঘোষ, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের অমিত দে ও রিভু রিদম, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্বাগতম বাড়ৈ, দীপ্ত রায়, সবুজ শীল, অভিষেক ভাদুড়ী, পাপন বর্মণ, সৌরভ সাহা ও জয় দাস, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের অপূর্ব দাস, পুষ্পেন্দু মণ্ডল, অমৃত মণ্ডল ও প্রিতম আনন্দ৷ তাঁরা সবাই জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অতনু বর্মণের অনুসারী।

জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অতনু বর্মণ গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার দিন তিনি ঢাকার বাইরে ছিলেন। তাই ওই ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না।

উৎসব রায় বলেন জানান, তিনি জগন্নাথ হলে ছাত্রলীগের উত্তরবঙ্গ উপপক্ষের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। হামলাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য এখন চুরির অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি আছেন এবং হলে ফেরার সাহস পাচ্ছেন না বলেও জানান উৎসব।

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ মিহির লাল গণমাধ্যমকে জানান, উৎসব রায়ের লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। হলের একজন আবাসিক শিক্ষককে প্রকৃত ঘটনা জেনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।