advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নারায়ণগঞ্জে কৃষক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
২৮ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৭ জুন ২০২২ ১১:৫৮ পিএম
advertisement

নারায়ণগঞ্জে দৌলত হোসেন নামে সাবেক এক ইউপি মেম্বার ও কৃষকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সদর উপজেলার গোগনগর ইউপির সৈয়দপুর এলাকায় গত রবিবার রাত ১০টার দিকে হামলার শিকার হন তিনি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়। সদর মডেল থানার ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

advertisement 3

পরিবারের অভিযোগ, বর্তমান ইউপি সদস্য রুবেল আহমেদের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের লোকজন এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ওসি জানান, দৌলত হোসেন হত্যার ঘটনায় এখনো

advertisement 4

মামলা হয়নি। তবে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।

দৌলত হোসেন জেলা কৃষক লীগের কার্যকরী কমিটির সহসভাপতি এবং গোগনগর ইউনিয়নের সাবেক সদস্য ছিলেন। তার বাড়ি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরসৈয়দপুর এলাকায়।

নিহতের ছোট ছেলে ফয়সাল আহমেদ বলেন, নিয়মিত চেক-আপের জন্য নারায়ণগঞ্জ শহরের বেসরকারি একটি হাসপাতালে যাচ্ছিলেন তার বাবা। পথিমধ্যে তার ওপর হামলা চালানো হয়। তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়। আহত অবস্থায় প্রথমে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢামেকে চিকিৎসাধীন রাত ১১টার দিকে মারা যান তিনি। ফয়সল আরও জানান, ভাঙারির দোকান নিয়ে স্থানীয় দুটি পক্ষের ঝামেলা ছিল। বাবা সেই ঝামেলা মেটাতে চেয়েছিলেন। এই কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে রুবেল মেম্বারের নেতৃত্বে ইমরান, বিল্লাল গং তাকে হত্যা করেন। তিনি জানান, রুবেল মেম্বারের সঙ্গে স্থানীয় চেয়ারম্যান ফজর আলীর বেশ ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারে রুবেল বেপরোয়া।

অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা বলতে গোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রুবেল আহম্মেদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় রানা ও রুবেল গ্রুপের দ্বন্দ্ব রয়েছে। সম্প্রতি সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলাও করেছেন তারা। রানা গ্রুপের পক্ষে ছিলেন দৌলত হোসেন। এই ঘটনার জেরে হত্যাকা- সংঘটিত হতে পারে বলে ধারণা করছেন ওসি।

এদিকে দৌলত হোসেনের বিরুদ্ধেও হত্যা, মাদক ও চাঁদাবাজির অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে থানায়। ২০১৯ সালের ১ মে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। কয়েক দিন হাজতবাসের পর তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন বলে জানান ওসি আনিচুর।

advertisement