advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা মামলা
মৃত্যুদ-প্রাপ্ত জাকারিয়া পাবনা কারাগারে

পাবনা প্রতিনিধি
২৮ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৮ জুন ২০২২ ১২:২২ এএম
advertisement

পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৯৯৪ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলা ও গুলিবর্ষণ মামলায় মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামি জাকারিয়া পিন্টুকে পাবনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে আদালতের নির্দেশে তাকে পাবনা জেলহাজতে পাঠানো হয়।

advertisement 3

এর আগে গত শনিবার কক্সবাজার জেলার টেকনাফ এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাকারিয়া পিন্টুকে (৫০) গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-২। পরদিন রবিবার তাকে পাবনা ঈশ^রদী থানাপুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে বিশেষ নিরাপত্তাজনিত কারণে তাকে রাতেই জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হেফাজতে রাখা হয়।

advertisement 4

গ্রেপ্তারকৃত পিন্টু ঈশ^রদীর পিয়ারখালী কাঁচাপরীপাড়া মহল্লার মৃত আবদুস ছামাদের ছেলে। তিনি ঈশ^রদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে ৩ জুলাই ঈশ^রদী বিএনপির ৯ শীর্ষ নেতার মৃত্যুদ-ের রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায় ঘোষণার দিন থেকেই পলাতক ছিলেন পিন্টু। তিনি এ মামলা ছাড়াও ভেড়ামারা থানায় অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের দ-প্রাপ্ত পলাতক আসামি। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে মোট ২৪টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে আটটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি তিনি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনযোগে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন শেখ হাসিনা। পথিমধ্যে বিএনপি নেতা জাকারিয়া পিন্টুসহ তার নেতৃত্বে অন্য আসামিরা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ঈশ^রদী স্টেশন এলাকায় ট্রেনে গুলি ও বোমা বর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় ঈশ^রদী জিআরপি থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ওইদিনই একটি মামলা করেন।

পরে মামলাটির তদন্ত শুরু করে সিআইডি। ১৯৯৭ সালে ৩ এপ্রিল ৫২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। এদের মধ্যে পাঁচজন মারা গেলে তাদের চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ২০১৯ সালে ৩ জুলাই জাকারিয়া পিন্টুসহ ৯ জনকে মৃত্যুদ- দেন আদালত। সেই সঙ্গে ২৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ১৩ জনকে ১০ বছর করে কারাদ- দেওয়া হয়।

advertisement