advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

লিসিচানস্কের নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার দখলে, একই দাবি ইউক্রেনেরও

অনলাইন ডেস্ক
৩ জুলাই ২০২২ ১১:০১ এএম | আপডেট: ৩ জুলাই ২০২২ ০১:২১ পিএম
advertisement

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের শহর লিসিচানস্ক এখন প্রতিযোগিতার কেন্দ্রে রয়েছে। রাশিয়া এবং ইউক্রেন দু’পক্ষই দাবি করছে শহরটি তাদের দখলে রয়েছে। ইউক্রেন বলছে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে সেখানে ব্যাপক হামলার শিকার হলেও শহরটি তাদের দখলেই রয়েছে।

যদিও রাশিয়া সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বলছে, তারা সফলভাবে শহরে প্রবেশ করেছে এবং কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে। রাশিয়ার গণমাধ্যমে ভিডিও প্রচার করা হয়েছে যাতে দেখা গেছে, শহরের কেন্দ্রে বিচ্ছিন্নতাবাদী অথবা রাশিয়ান সেনারা কুচকাওয়াজ করছে।

advertisement

রাশিয়ার বিভিন্ন সূত্র থেকে টুইটারে ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, শহরটির ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রশাসনিক ভবনে রুশ পতাকা উড়ছে। তবে তা নিরপেক্ষ কোনো সূত্র দ্বারা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

লিসিচানস্ক ছিল ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া লুহানস্ক অঞ্চলের ভেতরে ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত শেষ শহর। ডনবাস অঞ্চলের একাংশ অবস্থিত এটি।

লুহানস্কের গভর্নর শেরি হাইডা বলেছেন, রাশিয়ান সেনারা সকল দিক থেকে শহরে প্রবেশ করছে।

রাশিয়ায় লুহানস্কের রাষ্ট্রদূত রোডিওন মিরশনিক রাশিয়ার এক টেলিভিশনকে বলেছেন, শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছে তবে শহরটি এখনো স্বাধীন নয়।

প্রতিরক্ষা বিষয়ক ব্লগার রব লি শহরের ভেতরে রাশিয়ান সেনাদের ভিডিও প্রকাশ করেছেন। ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর থেকে রাশিয়া বলে আসছে তারা ইউক্রেন থেকে ‘নাৎসি উচ্ছেদ এবং দেশটির বেসামরিকীকরণ’ করছে। হামলা শুরুর পর থেকে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত ও আহত হয়েছে। এক কোটি ২০ লাখের মতো মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

এরপর পশ্চিমা দেশগুলো বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক সুপার পাওয়ার এবং জ্বালানি সরবরাহকারী রাশিয়ার উপর কঠোর অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে। এদিকে, খারকিভে বড় ধরনের হামলায় রেল ও বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

গতকাল শনিবার দিনের শেষের দিকে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো বলেছেন, তার দেশ মিসাইলবিধ্বংসী ব্যবস্থা দিয়ে ইউক্রেনের মিসাইল ভূপাতিত করেছে, তবে কোথায় সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো বেলারুশের ভেতর দিয়ে ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ান সেনাদের ইউক্রেনে হামলা করতে দিয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো বলেছেন, ‘ওরা আমাদের উসকানি দিচ্ছে। দিন তিনেক আগে, হয়তো আরও কদিন আগেও হতে পারে, ইউক্রেনের সীমান্তের ভেতর দিয়ে আমাদের সামরিক স্থাপনার ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু পান্টসির মিসাইল বিধ্বংসী ব্যবস্থা সবগুলো মিসাইল ধ্বংস করতে সফল হয়েছে।’ খবর: বিবিসি

advertisement