advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ইভ্যালির রাসেল দম্পতির বিরুদ্ধে আরেক গ্রাহকের মামলা

আদালত প্রতিবেদক
৩ জুলাই ২০২২ ০৩:১৫ পিএম | আপডেট: ৩ জুলাই ২০২২ ০৬:৫৯ পিএম
ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিন। ছবি: সংগৃহীত
advertisement

প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তার স্ত্রী সাবেক চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হয়েছে। জান্নাতুল ফেরদৌস নামে এক গ্রাহক আজ রোববার মামলাটি করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী শুনানি শেষে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ধানমন্ডি থানাকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস ২৬ লাখ ৭৭ হাজার ৫০০ টাকার বিভিন্ন পণ্য অর্ডার করেন। পরে ওই টাকা ইভ্যালির অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট করেন। ওই সব পণ্য বাদীকে সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয় ইভ্যালি। পণ্য সরবরাহ করতে না পারায় ইভ্যালি গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পাঁচটি চেকের মাধ্যমে বাদীকে ওই টাকা দেন। ২২ সেপ্টেম্বর হেমায়েতপুর শাখায় ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংকে উপস্থাপন করলে চারটি এবং ১০ নভেম্বর আরেকটি চেক ডিসঅনার হয়। জান্নাতুল ফেরদৌস বিষয়টি ইভ্যালিকে জানায়। ইভ্যালি মৌখিকভাবে জানায়, তারা বাদীর টাকা পরিশোধ করে দেবে। তবে ছয় মাসেও তা করেনি।

advertisement

সর্বশেষ গত ১৯ জুন বাদী ইভ্যালির ধানমন্ডি অফিসে গেলে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা জানান- তাকে আর কোনো টাকা দেওয়া হবে না। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে বাদীকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর আরিফ বাকের নামের একজন গ্রাহক গুলশান থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পরদিন বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে তাদের বিভিন্ন মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। সবগুলো মামলায় জামিন পেয়ে গত ৬ এপ্রিল কারামুক্ত হন শামীমা নাসরিন। তবে জামিন না পাওয়ায় কারাগারেই রয়েছেন রাসেল।

advertisement