advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

হারারেতে রানোৎসব

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৬ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৬ আগস্ট ২০২২ ১২:৫৩ এএম
advertisement

জিম্বাবুয়ে সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যাটসম্যানরা ছিলেন মলিন। ঠিকভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারের তেতো স্বাদ পেতে হয়েছে বাংলাদেশ দলকে। তবে ওয়ানডেতে ব্যতিক্রম ব্যাটিং বিভাগ। পছন্দের ফরম্যাটে ডানা মেলেছেন সবাই। টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যান- তামিম ইকবাল, লিটন দাস, এনামুল হক বিজয় ও মুশফিকুর রহিম ফিফটি রানের ইনিংস খেলেছেন। আর তাতেই দলীয় সংগ্রহ ৩০০ ছাড়িয়েছে। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে গতকাল সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে ৫০ ওভারে ২ উইকেটে ৩০৩ রান করে টাইগাররা। কিন্তু রানের পাহাড় গড়েও বিশাল সংগ্রহ আগলে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। বিবর্ণ বোলিং ও বাজে ফিল্ডিংয়ের খেসারত দিয়ে দল হেরেছে ৫ উইকেটে। ইন্নোসেন্ট কায়া (১১০) ও সিকান্দার রাজার (১৩৫*) সেঞ্চুরির ওপর দাঁড়িয়ে সহজ জয় তুলে নেয় জিম্বাবুয়ে।

advertisement

ফরম্যাট যেটাই হোক না কেন শুরুটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তামিম ও লিটনের ব্যাটে দারুণ শুরু ছিল বাংলাদেশের। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে স্কোরকার্ডে ১১৯ রান যোগ করেন তারা। ২২৯ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৫৪তম ফিফটি করা তামিমের ব্যাট থেকে এসেছে ৮৮ বলে ৬২ রান। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৯টি বাউন্ডারিতে। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এই ম্যাচেই ৮ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তামিম। ২২৭ ইনিংসে তার মোট রান এখন ৮ হাজার ৫।

তামিমের মতো দারুণ ব্যাটিংয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন লিটন দাস। বাংলাদেশের ওয়ানডে ফরম্যাটে সফল জুটি তারা। লিটন অবশ্য রিটায়ারর্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছেড়েছেন। তবে ২৭ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান ৫৭ ম্যাচের ক্যারিয়ারে তার সপ্তম ফিফটি তুলে নিয়েছেন। ৮৯ বলে ব্যক্তিগত ৮১ রানে মাঠ ছাড়েন লিটন। তার ইনিংসে ছিল ৯টি বাউন্ডারি ও ১টি ওভার বাউন্ডারি। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১১৯ রান। এনামুল বিজয়ের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৫২* রান। লিটন মাঠ ছাড়ার পর এনামুল বিজয় ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে আলো ছড়ায়।

ওয়ানডে ফরম্যাটের ঢাকা লিগে পারফর্ম করে জাতীয় দলে ডাক পেলেও ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারছিলেন না বিজয় টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে। তিন বছর পর ফিরে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে নিজেকে মেলে ধরলেন বিজয়। আলো ছড়ালেন সিরিজের প্রথম ম্যাচেই। ওয়ান ডাউনে নেমে ৬২ বলে ৭৩ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন তিনি। ৩৬ ইনিংসে বিজয়ের এটি চতুর্থ ফিফটি। দ্বিতীয় উইকেটে ৪৫ বলে ৫২* রানের পর মুশফিকের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৭৬ বলে ৯৬ রান স্কোরকার্ডে যোগ করেন বিজয়। ফেরার ম্যাচে মুশফিক ৪৯ বলে ৫২ রানে অপরাজিত। ২৬৭ রানে বিজয় আউট হওয়ার পর মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ (১২ বলে ২০*) জুটির ২৫ বলে ৩৬* রানে ভর করে বড় দলীয় স্কোর পায় টাইগাররা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এ নিয়ে ষষ্ঠবার ৩০০ ছাড়ানো ইনিংস খেলল লাল-সবুজরা। এই দলটির বিপক্ষে তাদের সর্বোচ্চ রান ৩২২/৩।

advertisement