advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

উল্লাপাড়ায় দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বেহাল

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
৬ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৬ আগস্ট ২০২২ ১২:১২ পিএম
advertisement

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গাড়লগাঁতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পুঠিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বেহাল।  

advertisement

উল্লাপাড়া উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৮৪ সালে গাড়লগাঁতী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান ভালো হওয়ায় ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ করা হয়। ওই বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষকের সংখ্যা ৪ জন এবং শিক্ষার্থীদের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩শ জন।

বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য এবং ওই ওয়ার্ডের তাঁতশিল্পে উৎপাদিত কাপড় ও কৃষিপণ্য দ্রুত দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রয়ের জন্য  উপজেলার নেওয়ারগাছা হাইওয়ে সড়ক থেকে রাজমান ভায়া গাড়লগাঁতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ১৬শ মিটার রাস্তা কার্পেটিং ও সিলকোট দ্বারা পাকা করা হয়।

কিন্তু গত কয়েকটি বন্যায় রাস্তাটির ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যাপক খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। এতে করে রাস্তাটি দিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। 

একই অবস্থা দাঁড়িয়েছে উপজেলার পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়নের পুঠিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের একমাত্র হেরিংবোন রাস্তাটির।

সড়ক বিভাগের উল্লাপাড়া-পূর্ণিমাগাঁতী-তাড়াশ সড়কের পুঠিয়া মসজিদ হতে পুঠিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ২০০ মিটার রাস্তা অতিবর্ষণ ও বন্যায় রাস্তাটির হেরিংবোনের ইট উঠে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চলাচলে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। 

  এ বিষয়ে গাড়লগাঁতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও পুঠিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  মোছা. রেনু সুলতানা জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মৌখিক ও লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। 

উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সায়েম  জানান, বিষয়টি জানা ছিল না। রাস্তা পরিদর্শন করে  অতি দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উজ্জল হোসেন জানান, বিষয়টি উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে আলোচনা করে মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। 

advertisement