advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সেই চলন্ত বাসে গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন রাজা মিয়া

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
৭ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৭ আগস্ট ২০২২ ০১:১৮ এএম
গ্রেপ্তার হওয়া রাজা মিয়া।
advertisement

কুষ্টিয়া থেকে নারায়ণগঞ্জগামী চলন্ত বাসে চাঞ্চল্যকর ডাকাতি ও নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় গতকাল তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন রাজা মিয়া, মো. আউয়াল ও নূরনবী। তারা সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্রের সদস্য। তারা সাধারণত বিভিন্ন জায়গা থেকে ডিম ও সিলিন্ডার বোঝাই গাড়ির মালামাল লুট করে ছেড়ে দিত। ঈগল পরিবহনের বাসটির যাত্রীদের কাছ থেকেও এ তিনজনসহ চক্রের অপর সদস্যরা মালামাল লুট করেন বলে স্বীকার করেছেন আউয়াল ও নূরনবী। তবে বাসটির এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন রাজা মিয়া। রাজা মিয়া ও মো. আউয়াল টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট মো. শামছুল আলমের আদালতে ও রাজা মিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুমি খাতুনের আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেছেন। গতকাল সন্ধ্যা থেকে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদের টাঙ্গাইল কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

গত মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া থেকে ঈগল পরিবহনের একটি বাস অন্তত ২৪ যাত্রী নিয়ে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়। রাত ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের একটি হোটেলে খাবারের জন্য বিরতি দেয় বাসটি। সেখান থেকে রওনা হওয়ার ৫ মিনিট পর মূল সড়ক থেকে বাসটিতে ওঠেন ৩ যাত্রী। কিছু দূর যাওয়ার পর আরও ৪ যাত্রী এই বাসে ওঠেন। নির্ধারিত স্টেশন ছাড়া কিছুদূর যাওয়ার পর আরও ৩ জন যাত্রী সেজে বাসে ওঠেন। রাত অনুমান ১২টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নাটিয়াপাড়া এলাকা যাত্রীবেশী ডাকাত দলের সদস্যরা অস্ত্রের মুখে পুরো বাসের নিয়ন্ত্রণ নেন। টাঙ্গাইলের গোড়াই এলাকা থেকে বাসটি ঘুরিয়ে ডাকাতদলের সদস্যরা কালিহাতী হয়ে মধুপুরে আসে। এরই মধ্যে ডাকাত দলের সদস্যরা সবার হাত-মুখ ও চোখ বেঁধে জিম্মি করেন। এর পর যাত্রীদের মোবাইল, টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে। পরে ডাকাত দলের সদস্যরা গাড়িতে থাকা এক নারীকে ধর্ষণ করে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালুর ঢিবির কাছে বাসের গতি থামিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতরা।

advertisement

 

advertisement