advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অর্থ আত্মসাতকারীর সঙ্গে ‘বিশেষ সম্পর্কের’ সমালোচনা, মুখ খুললেন জ্যাকুলিন

অনলাইন ডেস্ক
৮ আগস্ট ২০২২ ০৪:৫৫ পিএম | আপডেট: ৮ আগস্ট ২০২২ ০৬:৩৪ পিএম
জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ ও সুকেশ চন্দ্রশেখর
advertisement

বলিউড অভিনেত্রী, শ্রীলঙ্কান বংশোদ্ভূত জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার মূল অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের। এরপর থেকে এ নিয়ে বহু প্রশ্ন ও হেনস্তার স্বীকার হচ্ছেন এই অভিনেত্রী।  

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, সুকেশ কাণ্ডে জ্যাকুলিনের নামে একের পর এক নেতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। অনেকেই তার সম্পর্কে বাজে কথা বলছেন। সবার এত বিদ্বেষ কেন বুঝতে পারছেন না তিনি। এবার মুখ খুললেন নিজেই। জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি কী দোষ করেছি?’

advertisement 3

এরপরই তিনি জানান, তিনি নিজেকেই প্রশ্নটা করছেন এবং তিনি খুবই মনঃকষ্টে রয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।

advertisement 4

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে কথা বলেন জ্যাকুলিন। তিনি বললেন, ‘মানুষ হিসেবে আমি চাই সবাই আমাকে পছন্দ করুক। খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। কেউ যদি আপনাকে পছন্দ না করে তাহলে আপনার অস্বস্তি শুরু হয়। তবে বিদ্বেষ থাকলে সেটা জেনেবুঝে থাকা ভালো। আমি কী দোষ করেছি? কেউ জানেন? তারকাদের পান থেকে চুন খসলে হাজার গুণ দোষ হয়ে যায়। আমার প্রতি এত কঠোর হওয়ার কারণ জানতে চাই!’

তবুও জ্যাকুলিন এখনও জীবনে আস্থা রাখতে চান। ইতিবাচক থাকতে চান বলে জানান।

জানা যায়, সুকেশ চন্দ্রশেখর ২০০ কোটি টাকা চুরির পর জ্যাকুলিনকে তার থেকে ৫ কোটি ৭১ লাখ টাকার উপহার দিয়েছিলেন। এ ছাড়া জ্যাকুলিনের পরিবারের জন্য ১ লাখ ৭৩ হাজার মার্কিন ডলার খরচ করেছেন সুকেশ। জ্যাকুলিনের জন্য দামি গাড়ি, ৯ লাখ টাকার পার্সি বিড়াল, ৫২ লাখ টাকার ঘোড়া, দামি পাথরের গয়নাও পাঠিয়েছেন সুকেশ।

সুকেশ চন্দ্রশেখরের মামলাটি তদন্ত করছে ভারতের অর্থনৈতিক আইনকানুন প্রয়োগ ও আর্থিক অপরাধ দমন সংক্রান্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ আর সুকেশ চন্দ্রশেখরের মধ্যে যোগাযোগ সামনে আসলে ইডির জেরার মুখে পড়েন জ্যাকুলিন। এরপর একাধিকবার ইডির অফিসে হাজিরাও দিতে হয়েছে তাকে। এখনো সেই রেষ শেষ হয়নি। গত বছর ডিসেম্বরে দুবাই যাওয়ার সময় মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে আটকায় ইডি। সে সময় তার নামে লুক আউট নোটিশ জারি হয়। নিয়ম অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না জ্যাকুলিন।

advertisement