advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

তালায় বৃষ্টির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছেন না কৃষকরা

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
১২ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২২ ১২:১৯ এএম
advertisement

আষাঢ় পেরিয়ে এখন শ্রাবণের ২৮ তারিখ। তবু কাক্সিক্ষত বৃষ্টির দেখা মিলছে না। ফলে বৃষ্টিপাতের অভাবে পাটজাগ নিয়ে রীতিমতো বেকায়দায় পড়েছেন তালা উপজেলার কৃষকরা। সেচ দিয়ে যা কিছু বীজতলা করেছিলেন চাষিরা, তাও খাঁ-খাঁ রোদে পুড়ে (শুকিয়ে) যাচ্ছে। অনেক কৃষক পাট কেটে জমিতেই ফেলে রেখেছেন। এখন পাট কাটার ভরা মৌসুম থাকা সত্ত্বেও কৃষকরা পড়েছেন মহাবিপাকে। বৃষ্টির অভাবে জমিতেই শুকিয়ে যাচ্ছে কৃষকের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের সেই সোনালি আঁশ-পাট গাছ। তালা উপজেলায় এ বছর ২ হাজার ৮৫০ হেক্টর নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে আরও বেশি জমিতে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের আবাদ হলেও পানির অভাবে পাটজাগ দিতে না পেরে কৃষকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। উপজেলার আমতলাডাঙ্গা গ্রামের মসলেম গাজী বলেন, চলতি বছর আমার দুই বিঘা জমিতে পাটের আবাদ রয়েছে। পাটের ফলন ৫-৮ মণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে বাজারে দাম ভালো হলেও পাট চাষে লোকসান হবে। ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আমি পানির অভাবে পাটজাগ দেওয়া নিয়ে চিন্তার মধ্যে আছি। ধানদিয়া গ্রামের রবিউল ইসলাম জানান, এ বছর বৃষ্টিপাত তেমন একটা না হওয়ায় মাঠ-ঘাট প্রায় পানিশূন্য। আমাদের এলাকার জমির পাট কাটার উপযোগী হলেও বৃষ্টির পানির অভাবে পাট জাগ দেওয়া যাচ্ছে না। চলতি বছর প্রতিবিঘা জমিতে চাষ থেকে শুরু করে পাট উৎপাদন পর্যন্ত ১০-১৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে পাটের যে দাম চলছে, তা অব্যাহত থাকলে প্রতিবিঘা জমির পাট বিক্রি করে ২০-২৫ হাজার টাকা আয় হবে। তালা উপজেলা কৃষি অফিসার হাজিরা বেগম বলেন, চলতি বছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। এখন পাট কাটার উপযুক্ত সময়। ইতেমধ্যে অনেক চাষি পাট কাটা শুরু করেছেন। বৃষ্টির অভাবে মাঠ-ঘাটে পানি নেই। কৃষকরা অপেক্ষায় আছেন, বৃষ্টি হলে তারা পুরোদমে পাট কাটা শুরু করবেন।

advertisement

advertisement 4
advertisement