advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জড়িতদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে

মেডিক্যালের প্রশ্নফাঁসচক্রে ৬ চিকিৎসক

১৪ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২২ ১২:৪২ এএম
advertisement

বাংলাদেশে প্রশ্নফাঁসের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। বিভিন্ন সময়ে পাবলিক পরীক্ষা, নিয়োগ পরীক্ষা, ভর্তি পরীক্ষা এমনকি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ আসছে। বিশেষ করে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগপ্রক্রিয়ায় জালিয়াতচক্রের সদস্যরা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিদেবনে জানা যায়, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসচক্রে চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাসহ অন্তত ৪২ জনকে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ চক্রে জড়িত রয়েছেন ৬ চিকিৎসক। রয়েছেন কয়েকজন মেডিক্যাল শিক্ষার্থীও। এ চক্রের ফাঁস করা প্রশ্নপত্রে মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি হয়েছেন শত শত শিক্ষার্থী। চক্রটির বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁস করে ৯৯ কোটি ৮১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দারা। এ ছাড়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষায়ও যে অনুরূপ জালিয়াতির ঘটনা ঘটেনি, তার নিশ্চয়তা কী? তাই সব নিয়োগ পরীক্ষা সম্পর্কে সুলুকসন্ধান করা প্রয়োজন। তরুণদের বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে তারা জালিয়াতি করে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে এবং মেধাবীদের বঞ্চিত করছে। বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র জালিয়াতচক্র প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ফাঁস করছে। ফলে তাদের নাগাল পাচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সিন্ডিকেটচক্র পরীক্ষার কয়েকদিন আগে নির্দিষ্ট প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা চায়। যারা টাকা পরিশোধ করে, শুধু তাদেরই বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গোপনে প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। এভাবে নানা কৌশলে একশ্রেণির চক্র বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করছে। এ অন্যায় ঠেকাতে হলে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ছাপা, বিতরণ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় যারা জড়িত থাকেন তাদের ওপর কড়া নজর রাখতে হবে। মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ২০১৩ সাল থেকে ফাঁস শুরু হয়। এখন পর্যন্ত কেন প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করা গেল না। মূল কারণ হলো কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপরাধীরা শাস্তি পেলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছে। সেজন্য বারবার এমন ঘটনা ঘটতে থাকে। এবার যেহেতু চিহ্নিত করা গেছে তাই এ চক্রের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। সবাইকে শাস্তির আওতায় নিয়ে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। তা হলেই আর পুনরাবৃত্তি হবে না।

advertisement

advertisement 4

advertisement