advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রয়োজন সার্বক্ষণিক বাজার মনিটরিং

সিন্ডিকেটে বেসামাল ডিম ও মুরগির বাজার

১৪ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২২ ১২:৪২ এএম
advertisement

চালসহ বেশিরভাগ পণ্যের দাম যখন বেড়ে চলেছে, তখন পুষ্টির চাহিদা পূরণেও সংকট দেখা দিয়েছে। এক সময়ের সহজলভ্য প্রোটিনের উৎস ব্রয়লার মুরগি ও ফার্মের ডিমের নাগাল পেতে এখন বেজায় বেগ পেতে হচ্ছে ভোক্তাদের। কারণ বাজারে এগুলোর দাম কয়েকদিন ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ এবং প্রতি ডজন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্য দুটির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অস্বস্তিতে রয়েছেন সব শ্রেণির ভোক্তা।

আমিষনির্ভর পুষ্টির প্রায় অর্ধেক চাহিদা মুরগি ও ডিম থেকে পূরণ হলেও এখন তা কিনে খেতে পকেট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে নি¤œআয়ের মানুষের। এমনকি অনেক মধ্যবিত্তের খাদ্য তালিকা থেকে বাদ পড়ছে মুরগির মাংস ও ডিম ভাজি। খামারিরা বলছেন, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে খামার পর্যায়ে মুরগি ও ডিমের দাম কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে অতিরিক্ত হারে বেড়েছে। মূলত যাদের হাত হয়ে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে, তারাই নানা অজুহাতে অস্বাভাবিকভাবে দাম বৃদ্ধি করছেন।

advertisement

বলার অপেক্ষা রাখে না, ‘সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকার কাজ করছে’Ñ এ ধরনের কথাবার্তা মন্ত্রীদের মুখে প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু ওই সিন্ডিকেটের চেহারা-চরিত্র কী, সেটি জানা যায় না। সিন্ডিকেট বরাবর অধরাই থেকে যায়। সরকারের কর্তাব্যক্তিরা যতই বলেন বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে দেবেন, ততই তারা আরও সংহত হয়। সরকার যদি সত্যি সত্যিই বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে চায়, তা হলে লোক দেখানো অভিযান চালানো কিংবা চুনোপুঁটিদের ধরলে কাজ হবে নাÑ রাঘববোয়ালদেরও ধরতে হবে। একই সঙ্গে সার্বক্ষণিক বাজার মনিটর করতে হবে। পণ্যের দাম বৃদ্ধির পর দৌড়ঝাঁপ না করে যাতে দাম না বাড়ে, এ জন্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সরবরাহের চেয়ে চাহিদা বেশি হলে দাম বাড়বেই।

advertisement 4
advertisement