advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চাঁদে অভিযানের নতুন যুগ শুরু করতে প্রস্তুত নাসা

অনলাইন ডেস্ক
২৯ আগস্ট ২০২২ ০১:০৩ পিএম | আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২২ ০২:২০ পিএম
এই ফ্লাইটটি তৈরি করতে এক দশক সময় লেগেছে
advertisement

চাঁদে অবতরণের জন্য মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তার নতুন মহাকাশ যান স্পেস লঞ্চ সিস্টেমের যাত্রা শুরুর সময় গণনা করছে। আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৩ (বাংলাদেশ সময় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৩৩) মিনিটে রকেটটি উৎক্ষেপণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এসএলএস নাসার তৈরি এ পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী মহাকাশ যান। চাঁদে মানবজাতির অবতরণের ৫০ বছর পর আবার মানুষকে চন্দ্রপৃষ্ঠে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার এই প্রকল্পটির নাম ‘আর্টেমিস’।

advertisement 3

নাসার কর্মকর্তারা মনে করছেন, এতে মূল প্রযুক্তিগত কোনো ত্রুটি নেই। এই রকেট একটি ক্যাপসুল বহন করবে। ওই ক্যাপসুলের নাম ‘ওরাইয়ন’। এই ওরাইয়ন চাঁদের চারপাশে পরিভ্রমণ করবে। তবে এই যাত্রায় কোনো মানুষ থাকবে না। যদি সবকিছু পরিকল্পনামাফিক চলে পরবর্তী মিশনগুলোতে মহাকাশচারীরা যোগ দেবেন।

advertisement 4

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে এই এসএলএসটি উৎক্ষেপণ করা হবে। যাত্রা শুরুর পর যানটি দু’ঘণ্টার মধ্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ত্যাগ করবে।

নাসার এক্সপ্লোরেশন সিস্টেমস ডেভেলপমেন্টের সহযোগী প্রশাসক জিম ফ্রি বলছেন, ‘পর্যালোচনা থেকে আমরা কোনো নেতিবাচক ফলাফল পাইনি এবং এ নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো ভিন্নমতও তৈরি হয়নি।

চাঁদে মানুষ প্রথমবারের মতো পা রাখে ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ রকেটে চড়ে। ওই ঘটনার অর্ধ শতাব্দী পরের এই উৎক্ষেপণ নাসার জন্য একটি বড় ঘটনা হতে যাচ্ছে।

নাসা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা তাদের নতুন প্রযুক্তি ‘আর্টেমিস প্রোগ্রাম’ নিয়ে ফিরে আসছে যার প্রযুক্তি আধুনিক যুগকে সমৃদ্ধশালী করবে। এই চন্দ্রাভিযানকে নাসা মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার একটা প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে। তারা আশা করছে, ২০৩০ সাল নাগাদ বা তার পরপরই তারা মহাকাশচারীদের মঙ্গল গ্রহে পাঠাবে।

advertisement