advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রতারকচক্রকে কঠোর শাস্তি দিন

ভুঁইফোড় কোম্পানির ওজন কমানোর ফাঁদ

২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৩৪ এএম
advertisement

আমাদের দেশে প্রতারকচক্র নতুন নতুন কৌশল নিয়ে প্রতারণায় লিপ্ত। প্রায়ই গণমাধ্যমে অভিনব সব প্রতারণার খবর আসে। এই অপরাধ ক্রমেই আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ওজন কমানোর নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁদ পেতেছে নানা ভুঁইফোড় কোম্পানি। তারা নানারকমের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাত্র সাত থেকে ১৫ দিনে ৮ থেকে ১০ কেজি ওজন কমিয়ে শরীর ফিট করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। এটি কতটা বিজ্ঞানভিত্তিক বা স্বাস্থ্যসম্মত, তা নিশ্চিত না হয়েই অনেকে পা দিচ্ছে এই সিøম হওয়ার ফাঁদে। এতে প্রতারণার শিকার হচ্ছে মানুষ, কারও দেখা দিচ্ছে শারীরিক জটিলতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওজন কমাতে বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে মানতে হবে বিজ্ঞানসম্মত নিয়মকানুন। পৃথিবীতে এখনো এমন কোনো ওষুধ তৈরি হয়নি, যা খেলে রাতারাতি ওজন কমে শরীর ফিট হয়ে যাবে। যেখানে বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যাও নেই, তাহলে সেখানে কেন চিকিৎসা নিতে যাচ্ছে মানুষ? কারণ প্রতারকচক্র তাদের কৌশলে মানুষকে ফাঁদে ফেলছে। এভাবে প্রতিনিয়ত প্রতারকরা নতুন নতুন উপায়ে মানুষকে প্রতারিত করছে। মানুষ জীবনে কোনো না কোনো সময়ে ছোটখাটো হলেও এমন পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে। প্রশাসন যদি চলে ডালে ডালে, প্রতারকচক্র চলে পাতায় পাতায়। বিভিন্ন সময় প্রতারকচক্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়, বিচারের মুখোমুখি হয়। কিন্তু প্রতারণা থেমে থাকে না। কারণ বর্তমানে আইনে অপরাধের শাস্তি হিসেবে যথেষ্ট নয়। আবার প্রতারণার ধরনভেদে আলাদা আইন ও মামলা-মোকদ্দমা হয়। আইনের অপর্যাপ্ততা ও যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া যায় না। ফলে বের হয়ে এসে আবারও প্রতারকচক্রে যোগদান করে। আমরা চাই প্রতারণা বন্ধে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করবে সরকার। কেউ এসব অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হলেই তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আর এসব ভুঁইফোড় কোম্পানির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব কোম্পানির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের সবাইকে কঠিন শাস্তি দিতে হবে। প্রতারকদের ফাঁদে পা না দিয়ে এদের প্রতিহত করে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

advertisement