advertisement
advertisement

সব খবর

advertisement
advertisement

এনআইডিতে ডিএনএ তথ্য যুক্ত করার সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:১০ পিএম
advertisement

জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) ডিএনএ তথ্য যুক্ত করার সুপারিশ এসেছে। একই সঙ্গে এনআইডিতে স্থায়ী ঠিকানা দৃশ্যমান করা, ডাটাবেজে বাবা-মায়ের নাম ইংরেজিতে লিপিবদ্ধ ও স্মার্টকার্ডে চিপের ব্যবহার করারও সুপারিশ এসেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ‘জাতীয় পরিচিতি যাচাই সেবা, সেবার প্রকৃতি, সমস্যা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে এসব সুপারিশ আসে। সকাল পৌনে নয়টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আইডিইএ প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) আয়োজনে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা সার্ভারের গতি বাড়ানো, ইকেওয়াইসি সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সর্বনিম্ন তিন বছরের চুক্তি ও

advertisement 3

প্রতি তিন বছর পরপর চুক্তির

advertisement 4

মেয়াদ নবায়নসহ বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) মো. আহসান হাবিব খান। তিনি জানান, সরকারি-বেসরকারি ১৬৪টি প্রতিষ্ঠান বর্তমানে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে ইকেওয়াইসি সেবা নিচ্ছে। এ

সেবা থেকে আয়ের অর্থ রাজস্ব খাতে জমা হচ্ছে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা, নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর ও নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সেমিনারে

স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ। সেমিনার ও আউটপুট বিষয়ে বর্ণনা করেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক একেএম হুমায়ূন কবীর। ‘জাতীয় পরিচিতি যাচাই সেবা, সেবার প্রকৃতি, সমস্যা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক কি নোট উপস্থাপন করেন আইডিইএ প্রকল্পের (২য় পর্যায়) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজলুল কাদের।

জাতীয় পরিচিতি যাচাই সেবার চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলোচনা করেন নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মো. আব্দুল বাতেন।

ইকেওয়াইসি সেবা নেওয়া প্রতিষ্ঠান যাতে তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ না হতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়।

নির্বাচন কমিশন ও পার্টনারদের বিলিং সিস্টেম ম্যানুয়ালের পরিবর্তে অটোমেটেড করার পরামর্শ দেন বক্তারা। পার্টনারদের ফোকাল পারসন পরিবর্তন হলে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগকে দ্রুত অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. হুমায়ূন কবীর খোন্দকার। সেমিনারে আরও অংশ নেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব, সিস্টেম ম্যানেজার, সিনিয়র সহকারী প্রধানসহ নির্বাচিত কর্মকর্তারা। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন এনআইডি উইং, আইডিইএ (দ্বিতীয় পর্যায়) ও ইভিএম প্রকল্পের নির্বাচিত কর্মকর্তারা। পাশাপাশি এনআইডি যাচাই সেবা গ্রহণকারী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার বাহিনী, এনবিআর, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও নন ব্যাংকিং ফাইন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠান ও টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

advertisement