advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ভোলায় হাঁসের কালো ডিম পাড়া নিয়ে চাঞ্চল্য

ভোলা সংবাদদাতা
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:১৩ এএম
ছবি: আমাদের সময়
advertisement

ভোলার চরফ্যাশনে একটি দেশি হাঁস ‘কালো ডিম’ পাড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার জিন্নাগড় ৪নং ওয়ার্ড আবদুল মন্নান রাঢ়ীর বাড়িতে। ওই বাড়ির সৌদি প্রবাসী আবদুল মতিনের স্ত্রী তাসলিমা বেগমের পালিত একটি হাঁস গত বুধ ও বৃহস্পতিবার দুটি কালো রঙের ডিম পাড়ে। পর পর দুদিন এমন ঘটনায় উৎসুক জনতা সেই হাঁস ও ডিম দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন। তবে কী কারণে এমনটি হচ্ছে তা গতকাল পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলতে পারেনি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

হাঁসের মালিক তাসলিমা বেগম জানান, তার পালিত ১১টি দেশি হাঁসের মধ্যে ৮ মাস বয়সের একটি হাঁস এই প্রথমে ডিম পাড়ে। ডিমের রং একেবারে কালো দেখে প্রথমে ভয় পেয়ে যান। পরে ডিমটি বাড়ির অন্যদের দেখালে মুহূর্তের মধ্যে কালো ডিমের সংবাদটি এলাকায় ছড়িয়ে পাড়ে। দেশি হাঁসের কালো ডিম দেখতে সে বাড়িতে মানুষ ভিড় জমায়।

advertisement 3

এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মণ্ডল বলেন, আমার জানামতে হাঁস এ ধরনের কালো ডিম পেড়েছে এই প্রথম শুনলাম। জিংডিং জাতের এক ধরনের হাঁস হালকা নীল রঙের ডিম দেয়। কিন্ত কোনো হাঁস কালো ডিম পেড়েছে কখনো শুনিনি।

advertisement 4

তিনি আরও বলেন, ভারতীয় ব্রিডের কাদারনাথ বা কালো মাসি জাতের মুরগি কালো ডিম পাড়ে। যার মাংসও কালো। হাঁসের কালো ডিম পাড়ার নেপথ্যে জরায়ুর কোনো সমস্যা হতে পারে। সাধারণত হাঁসের জরায়ুতে ডিমের খোসাটি ১৯ ঘণ্টা থাকে। তিনি এ কালো ডিমকে অস্বাভাবিক ডিম বলে মন্তব্য করেছেন। আগামী দিনগুলোয় যদি এ হাঁস কালো ডিম পাড়ে তা হলে হাঁস ও ডিম পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। খাদ্য গ্রহণের সঙ্গে হাঁস যদি রং খেয়ে ফেলে তা হলেও এমনটি হতে পারে। তবে যাই হোক না কেন পরীক্ষা ছাড়া আপাতত কিছুই বলা যাচ্ছে না।

advertisement