advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

স্ত্রী চলে যাওয়ায় কুপিয়ে হত্যা ঘটককে

টাঙ্গাইল সংবাদদাতা
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০২ এএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

ঘাটাইলে স্ত্রী চলে যাওয়ায় ঘটককে এক যুবক কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের মাইদার চালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবদুল জলিল একই গ্রামের মৃত আহসান সিকদারের ছেলে। অভিযুক্ত আলমাস সম্পর্কে তার ভাতিজা এবং রসুলপুর ইউনিয়নের প্যাঁচার আটা গ্রামের বাসিন্দা । পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

স্থানীয়রা জানায়, মাইদার চালা গ্রামের শহিদুলের ছেলে আলমাস স্থানীয় একটি করাতকলে কাজ করেন। আলমাস ৩টি বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে আর সংসার করতে পারেননি। পরে আবদুল জলিল ২০১৯ সালে আব্দুল জলিলের ঘটকালিতে আবার আলমাসের বিয়ে হয়। সে ঘরে এক কন্যাসন্তান আছে। ২০২১ সালে স্ত্রীর সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এ নিয়ে আলমাস ক্ষুব্ধ হন। বৃহস্পতিবার দুপুরে নামাজ শেষ করে আবদুল জলিল আলমাসের দাদি আয়াতন বেগমের ঘরে পান খেতে বসেন। এ সময় ওঁৎ পেতে থাকা আলমাস ঘরে ঢুকে বউ এনে দেওয়ার কথা বলে জলিলের মাথায় ও গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেন। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। পরে আলমাস পালিয়ে যান।

advertisement 3

ঘাটাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, বউ চলে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে আবদুল জলিলকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আলমাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে।

advertisement 4

এদিকে বাসাইলে ভাতিজাদের বিরুদ্ধে চাচাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল সকালে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের নাহালী দক্ষিণপাড়া থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত আনোয়ার হোসেন উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ওই গ্রামের মৃত মুহাম্মদ মিয়ার ছেলে।

নিহতের মেয়ে আনোয়ারা বলেন, চাচাতো ভাইদের সঙ্গে জমি নিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরে ঝামেলা চলছে। গ্রামের মাতবর, মেম্বাররা বসে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। বুধবার থেকে আব্বাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। গতকাল তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

বাসাইল থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ চেষ্টা করছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।

advertisement