advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

স্ত্রী চলে যাওয়ায় ঘটককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

টাঙ্গাইল থেকে
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৯:২৭ এএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৯:২৭ এএম
advertisement

স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যাওয়ায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় আব্দুল জলিল (৬০) নামে এক ঘটককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. আলমাসকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের মানাজি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত আব্দুল জলিল ইলেকট্রনিক্স দোকানের কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। মাঝে মধ্যে তিনি ঘটকালির কাজও করতেন।

advertisement 3

অভিযুক্ত মো. আলমাস একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনার পর থেকে আলমাসসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।

advertisement 4

আলমাসের প্রতিবেশিরা জানায়, জলিল মানাজির মাইধারচালা বাজারে সাজ্জাদ ইলেকট্রনিক্সের দোকানের একজন কর্মচারী ছিলেন। পাশাপশি বিয়ের ঘটকালির কাজও করতে তিনি। আলমাস প্রায় চার বছর আগে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের রত্নাআটা গ্রামের ডলি আক্তারকে (২০) বিয়ে করেন। তাদের সংসারে দুই বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। ওই বিয়ের ঘটক ছিলেন জলিল। বিয়ের পর থেকে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকতো। বছর খানেক আগে শিশু সন্তান রেখে ডলি তার বাবার বাড়ি চলে যান। মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে চান আলমাস। এজন্য ঘটক জলিলকে বারবার অনুরোধ করেন তিনি। কিন্তু সমাধানে ব্যর্থ হন ঘটক জলিল।

আলমাসের মামা আল আমীন জানান, এ ঘটনা চলার মধ্যে আলমাস ও ডলির মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায়। ভালো পরিবারে বিয়ে না করতে পেরে আলমাসের রাগ-ক্ষোভ ছিল জলিলের ওপর। বৃহস্পতিবার দুপুরে আলমাসের দাদি রাহাতন বেওয়ার সঙ্গে ঘরের ভেতর চেয়ারে বসে কথা বলছিলেন জলিল। জলিলকে দেখেই অন্য ঘর থেকে দা বের করে মাথায় ও ঘাড়ে দুইটা কোপ দেন আলমাস। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান জলিল। পরে দৌঁড়ে তিনি পালিয়ে যান।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযুক্ত আলমাসকে গ্রেপ্তারে করা হয়েছে।

advertisement