advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সড়কে শিশুসহ প্রাণহানি ৬
দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:০৪ পিএম
advertisement

সারাদেশে প্রতিদিন কোথাও না কোথাও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনা না হওয়াটাই যেন এক অলৌকিক বিষয়। এ নিয়ে এত আলোচনা, আন্দোলন ও নির্দেশনার পরও সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা যাচ্ছে না। গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পথচারী, কিশোর, বৃদ্ধ ও শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন।

advertisement 3

এর মধ্যে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় ট্রাকচাপায় মো. জিন্নাত আলী নামের এক পথচারীর মৃত্যু হয় এবং ঢাকার পোস্তগোলা ব্রিজের পশ্চিম পাশে মোটরসাইকেলচালককে একটি ট্রাক ধাক্কা দেয়। ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া পর সে মারা যায়। এ ছাড়া জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা ও সাতক্ষীরায় একজন করে নিহত হয়। এভাবে প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু কিংবা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। যা খুবই দুঃখজনক। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, দুর্ঘটনার শিকার হয়ে যেভাবে একের এক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যেন এটা একটি স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হলো অনেক চালকই সঠিকভাবে প্রশিক্ষিত নন। বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানো। যখন গাড়ির গতি বৃদ্ধি ছাড়াও মহাসড়কে বড় যানবাহনের সঙ্গে ছোট যানবাহন চলার কারণে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ আসছে, তখন এই বিষয়টি বিবেচনা করে সঠিক পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে দ্রুত। দুর্ঘটনার নেপথ্যের কারণগুলো বিচার-বিশ্লেষণ করে সেই অনুযায়ী নিতে হবে সুষ্ঠু পদক্ষেপ। প্রতিবার দুর্ঘটনার পর পরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেই তদন্ত প্রতিবেদন কোনোদিন আলোর মুখ দেখে না। সঙ্গত কারণেই দোষীদের শাস্তিও হয় না। বিচারহীন, প্রতিকারহীন অবস্থায় কোনো কিছু চলতে থাকলে তার পুনরাবৃত্তি তো ঘটবেই। তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবার আগে প্রয়োজন আইনের কঠোর প্রয়োগ। দুর্ঘটনা প্রতিরোধের উপায় নিয়েই ভাবতে হবে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে অবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। সামগ্রিকভাবে দুর্ঘটনা রোধে সংশ্লিষ্টরা যুগোপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দৃঢ় এবং আন্তরিক হবে এমনটাই প্রত্যাশা।

advertisement 4

advertisement