advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দস্যু বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি, নিহত বেড়ে ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৮:৩২ এএম | আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৯:২৭ এএম
হাতিয়া থানা
advertisement

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় দুই জলদস্যু বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ জনে দাড়িয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার বিচ্ছিন্ন ঘাসিয়ার চরে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে প্রথমে দুইজনের, পরে আরও একজনের লাশ উদ্ধার করে কোস্টগার্ড।

নিহতরা হলেন- ফখরুল বাহিনীর সদস্য মো. কবির, মো. শাহরাজ ও নবীর উদ্দীন ওরফে নূরনবী। তাদের সবার বাড়ি ঘাসিয়ার চরে। এ সময় অস্ত্রসহ পাঁচ জলদস্যুকে আটক করা হয়েছে। আটকরা হলেন, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর আবদুল্লাহ গ্রামের ইসাইলের ছেলে আজিম (৩০), আবদুর রশিদের ছেলে মো. হারুন (৩৭), চর গজারিয়া গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে লিটন (৩৫), কমলনগর উপজেলার চর কালকিনি গ্রামের আবদুল আলীর ছেলে মোশাররফ (৩৭) ও নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর গজারিয়া গ্রামের মুরাদের ছেলে মো. হিনজু (৩৭)।

advertisement

কোস্টগার্ডের হাতিয়া স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কে এম শাফিউল কিঞ্জল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঘাসিয়ার চরে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে জলদস্যু খোকনের বাহিনী। কিছু দিন আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে খোকন। তখন চরের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় আরেক জলদস্যু ফখরুল ইসলামের হাতে। সম্প্রতি খোকন জামিনে বেরিয়ে পুনরায় চরের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইলে ফখরুলের লোকজনের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। ওই বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

advertisement 4

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমির হোসেন জানান, জলদস্যু ফোকরা ও ফখরুল বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

advertisement