advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ইডেন ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টা মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৯:১৮ এএম | আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:০৯ এএম
সংবাদ সম্মেলনে ইডেন ছাত্রলীগের মারামারিতে আহত ছাত্রীরা। ছবি: সংগৃহীত
advertisement

ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর অপরপক্ষ পাল্টা মামলা করেছে। ইডেন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিতু আক্তার বাদী হয়ে লালবাগ থানায় মামলা করেছেন। তিনি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

শুক্রবার লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এম এম মোর্শেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বুধবার রাতে মামলা হয়েছে। ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। একটি কোর্টে অপরটি থানায়। তবে দুই মামলার তদন্তই লালবাগ থানা পুলিশ করছে।

advertisement

রিতু আক্তারের দায়ের করা  মামলায় জেবুন্নাহার শিলা, সামিয়া আক্তার বৈশাখী, মারজানা আক্তার উর্মি, কল্পনা বেগম, সোনালী আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, আফরোজা রশ্মি, রুপা দত্ত, ফাতেমা খানম বিন্তি, সাদিয়া জাহান সাথী, সানজিদা পারভিন চৌধুরী, শেখ সানজিদা, এস এম মিলি, মারিয়া, শারমিন, জান্নাতুল ফেরদৌস, মনিকা তনচংগ্যা মিমি, মায়দা বেগম মায়া, তানজিলা আক্তারসহ অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। এদের অধিকাংশই ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগ থেকে সদ্য বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি ও সহ-সম্পাদক।

advertisement 4

গত বুধবার ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসী ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোস্তফা রেজা নুরের আদালতে মামলার আবেদন করেন। আদালত সেটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। ওই মামলার আসামিরা হলেন- তামান্না জেসমিন রিভা, রাজিয়া সুলতানা, নুঝাত ফারিয়া রোকসানা, মিম ইসলাম, নূর জাহান, ঋতু আক্তার, আনিকা তাবাসসুম স্বর্ণা ও কামরুন নাহার জ্যোতি।

প্রসঙ্গত, গত ২২ সেপ্টেম্বর ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে ‘সিট বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির’ অভিযোগ এনে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস। এ কারণে তাকে ছাত্রীনিবাসের একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় মধ্যরাতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের একাংশের বিক্ষোভে ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ ছাত্রলীগের সব সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

advertisement