advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

‘১৬ বছরের কম বয়সীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেওয়া ঠিক না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ নভেম্বর ২০২২ ০৯:৩৯ পিএম | আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০২২ ০৯:৩৯ পিএম
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। পুরোনো ছবি
advertisement

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘১৬বছরের কম বয়সী শিশুদের হাতে মোবাইল দেওয়া ঠিক না। ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে অজান্তেই তারা অনেক অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে এ বয়সী ছেলে-মেয়েদের কোনটি ভালো কোনটি খারাপ, সেটি বোঝার সক্ষমতা থাকে না।’

বিশ্ব শিশু দিবস-২০২২ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার বিএসএমএমইউ-এর ডা. শহীদ মিলন হলে ‘শিশু স্বাস্থ্য, বিকাশ ও সুরক্ষা ' শীর্ষক  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিভাগটির বিগত পাঁচ বছরের শিশুদের নিয়ে বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

advertisement

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যেসব শিশু মোবাইলে আসক্ত তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে। তারা এক সঙ্গে মোবাইল ফোন আসক্তি কমাতে পারবে না। এজন্য তাদেরকে দিনে সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা তবে একটানা আধা ঘণ্টার বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার  করা বা দেওয়া যাবে না। এটি করতে পারলে হয়তো সোস্যাল মিডিয়া ও সোস্যাল মিডিয়ার এ্যাবইউজ থেকে রক্ষা পেতে পারি।’  

advertisement 4

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে বেশি বেশি প্রচার করতে হবে, সোস্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুকে কোনো এ্যাবইউজ করলে তা ধরা যায়, ধরা পড়লে  বিচার হবে। এটি প্রচার করতে পারলে শিশুদের ইন্টারনেট তথা সাইবার অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে।’ শিশুদের সুরক্ষায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় করে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভার প্রধান বক্তা সাবেক তথ্য কমিশনার ও দৈনিক আজকের পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান  বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। কোনটিতে লাইক , কমেন্ট দেওয়া যাবে তার জন্য সবার সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সাইবার অপরাধ দমনে সচেতনতার বিকল্প নেই।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসএমএমইউ-এর প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন অনুষদের ডিন এবং পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ শরিফুল ইসলাম। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএসএমএমইউ-এর পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের  অধ্যাপক ড. মো. আতিকুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক শবনম আযীম ও সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ মারুফ হক খান। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন  বিএসএমএমইউ-এর উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের শিশু ও সমন্বয় উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিবুজ্জামান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির।

advertisement