advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

চট্টগ্রাম কাস্টমে হয়রানি
সিঅ্যান্ডএফ কর্মীদের ক্ষোভ ২ ঘণ্টা কাজ বন্ধ

চট্টগ্রাম ব্যুরো
১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৩০
advertisement

চট্টগ্রাম কাস্টমসের আমদানি শাখায় নথি যাচাই-বাছাইয়ের নামে সময়ক্ষেপণ, হয়রানি এবং কর্মকর্তাদের অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে গতকাল সোমবার দুই ঘণ্টা কাজ বন্ধ রাখেন সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীরা। পরে কাস্টমসের শীর্ষ কর্মকর্তারা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে কাজে যোগ দেন তারা।

চট্টগ্রাম কাস্টম সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করে আসায় গতকাল ক্ষোভের বহির্প্রকাশ ঘটেছে। তবে অভিযোগ সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার আকবর হোসেন। বিজিএমইএ নেতারা বলছেন, কাজ বন্ধ করে প্রতিবাদের ঘটনাই প্রমাণ করে কাস্টমস কর্মকর্তারা অযথা হয়রানি করছেন।

সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীদের অভিযোগ, ফাইল আটকে ঘুষ আদায় করছেন কর্মকর্তারা। তাদের দাবি অনুযায়ীÑ টাকা না দিলে সময়ক্ষেপণ করছেন। অকারণে কাজে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করছেন। এ নিয়ে কথা বললে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছেন। সর্বশেষ গতকাল সোমবার সালাউদ্দিন নামে একজন রাজস্ব কর্মকর্তা এক সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীকে থাপ্পড় দেন। এর প্রতিবাদে গতকাল বেলা ২টা থেকে কাজ বন্ধ করে দেয়।

চট্টগ্রাম কাস্টম সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন আমাদের সময়কে বলেন, আমদানি শাখায় বেশ কিছু দিন ধরে অযথা হয়রানি করছে।

অকারণে ফাইল আটকে রাখে। কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন কর্মকর্তারা। কাজের পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় গতকাল পুঞ্জিভূত ক্ষোভের বহির্প্রকাশ ঘটেছে। তাই গতকাল বেলা ২টা থেকে কাজ বন্ধ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। পরে কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে বিকাল ৪টা থেকে কাজে যোগ দেয়। তিনি বলেন, দু-একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য সবাইকে হয়রানি করতে পারে না।

চট্টগ্রাম কাস্টম সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম আকতার হোসেন বলেন, সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীদের সঙ্গে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। কাস্টমসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আশ্বাসে সমাধান হয়েছে।

বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি এমএ সালাম আমাদের সময়কে বলেন, কাজ বন্ধ রেখে প্রতিবাদের ঘটনাই প্রমাণ করে সমস্যা রয়েছে। আগে সহজে কাজ করলেও এখন দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে। অনেক সময় কাস্টমস কমিশনার সমাধান দেওয়ার পরও নিচের দিকে সহযোগিতা পাই না। এসব গৎবাঁধা অভিযোগ সব সময় থাকে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার আকবর হোসেন। তবে গতকাল সামান্য সমস্যা হয়েছিল। পরে সমাধান হয়েছে।

advertisement