advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

রাজবাড়ীতে বীমাকর্মীকে গণধর্ষণ

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৩০
advertisement

পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের এক কর্মীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগে গতকাল সোমবার সকালে বালিয়াকান্দি থানায় ৩ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের হয়েছে। তারা হলেনÑ বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের দড়িপাড়া গ্রামের রুকু বিশ্বাসের ছেলে মো. সাদ্দাম এবং মো. মারুফ ও মো. কামরুল। মামলায় এ দুজনের বাবার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

এদিকে ফেনীর সোনাগাজীতে পৃথক ঘটনায় দুই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি ঘটনায় গত রোবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় রাতে পুলিশ অভিযুক্ত আবু বক্কর ছিদ্দিক সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে। অপর ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বালিয়াকান্দি থানায় দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম বীমাকর্মী ১৬ নভেম্বর রাজবাড়ী জেলা অফিস থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে বহরপুর বাজারের কাছে আসামিরা তাকে জোরপূর্বক অটোবাইকে উঠিয়ে ফাঁকা মাঠের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানে শ্যালো মেশিন ঘরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং তার কাছে থাকা অফিসের ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ধর্ষণের পর তাকে অভিযুক্তরা একটি অটোভ্যানে তুলে দেয়। পরে অসুস্থ হলে পড়লে স্থানীয় পল্লীচিকিৎসকের কাছে ওই বীমাকর্মী চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম আজমল হুদা গণধর্ষণের মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই নারীকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য রাজবাড়ী সদরে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সোনাগাজী থানা সূত্রে জানা যায়, সোনাগাজী পৌরসভার চরগনেশ এলাকার ফুয়াং হাউজের বাসিন্দা আবু ইউছুফের ছেলে আবু বক্কর ছিদ্দিক সাব্বির বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে চরচান্দিয়া ইউনিয়নের এক তরুণীকে গত ১০ সেপ্টেম্বর বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে বিয়ে করবে না বলে অস্বীকৃতি জানায়। ভিকটিম গত রোববার রাতে আবু বক্কর ছিদ্দিক সাব্বিরকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

এদিকে আমিরাবাদ ইউনিয়নের চরডুব্বা গ্রামের রহিম উল্যাহর ছেলে মো. সুমন বিয়ের প্রলোভনে একই এলাকার এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সর্বশেষ গতকাল দুপুর একটার দিকে তাকে ধর্ষণ করে সুমন। মেয়েটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। তবে সুমন পালিয়ে যায়।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ দুটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

advertisement