advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

২৫০০ অসাধু পেঁয়াজ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে

সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৪৯
advertisement

বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীন বলেন, সরকারের নানা উদ্যোগে পেঁয়াজের বাজার ‘অতিদ্রুত’ স্বাভাবিক হয়ে আসবে। পেঁয়াজের মূল্য কারসাজিতে জড়িত সারাদেশে আড়াই হাজার অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসন তদারকি অব্যাহত রেখেছে। গতকাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ড. জাফর উদ্দীন আরও বলেন, মিয়ানমার সম্প্রতি পেঁয়াজের রপ্তানিমূল্য চার গুণ বৃদ্ধি করেছে এবং ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে ‘দুই-এক দিন ধরে’ বাজারে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিমানে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে কার্গো বিমানে মিসর, তুরস্ক, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এস আলম গ্রুপের পেঁয়াজের প্রথম চালান মঙ্গলবার কার্গো বিমানে

করে বাংলাদেশে এসে পৌঁছবে। তিনি আরও বলেন, এলসি খুলে সমুদ্রপথে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আনতে দেড় মাসের মতো সময় লেগে যাচ্ছে। উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেঁয়াজের চালান এখন বাংলাদেশের পথে সাগরে রয়েছে।

ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে এবং ঢাকাসহ সারাদেশে টিসিবির কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বন্যার কারণে বেকায়দায় থাকা ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম এক লাফে একশ টাকা ছাড়িয়ে যায়। এর পর সরকারের নানা উদ্যোগে সামান্য কমলেও ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের পর পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বেড়ে দুদিনের মধ্যে দেড়শ থেকে ১৮০ টাকায় উঠে যায়। শুক্র-শনিবারও ঢাকার বাজারগুলোয় ২৫০ টাকার আশপাশে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়। তবে বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসতে শুরু করায় এবং চড়া দামের কারণে ঘরে ঘরে ব্যবহার কমায় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ছেড়ে দামও নামতে শুরু করে।

advertisement