advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

যৌন কেলেংকারি
দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২২ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০১৯ ০০:২৫
advertisement

১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে যৌন মিলনের অভিযোগ ওঠার পর রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। যদিও তিনি যৌন মিলনের কথা অস্বীকার করেছেন। বিবিসি।

অভিযোগ উঠেছে, মার্কিন বিনিয়োগকারী জেফ্রি এপস্টেইন ওই কিশোরীকে অ্যান্ড্রুর কাছে সরবরাহ করেছিলেন। এপস্টেইন আত্মহত্যা করেছেন। এই কেলেঙ্কারিতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের কর্মকা-ে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে বলে মনে করছেন রানি এলিজাবেথের দ্বিতীয় সন্তান অ্যান্ড্রু। ৫৯ বছর বয়সী প্রিন্স বলেছেন, এপস্টেইনের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ছিল ‘অবিবেচনাপ্রসূত’।

যৌনতার উদ্দেশ্যে মানবপাচারের কয়েকটি অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে বিচারের অপেক্ষায় থাকা এপস্টেইন চলতি বছরের আগস্টে জেলের ভেতরেই আত্মহত্যা করেন।

বিবিসি লিখেছে, রানি এলিজাবেথের তিন ছেলের মধ্যে ‘সবচেয়ে প্রিয়’ প্রিন্স অ্যান্ড্রু।

শনিবার বিবিসিতে সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক ও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন অ্যান্ড্রু।

ওই সাক্ষাৎকারটি প্রচারিত হওয়ার পর থেকে ব্রিটিশ এ যুবরাজের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে।

সমালোচকদের অনেকেই বলছেন, প্রিন্স অ্যান্ড্রু অভিযোগ খ-াতে যেসব কথা বলেছেন, তা মোটেও সন্তোষজনক নয়। প্রিন্সের জবানিতে নির্যাতিতদের প্রতি খুব সামান্যই সহানুভূতি ছিল বলে অভিযোগ করেছেন এপস্টেইনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের আইনজীবীরা।

ওই সাক্ষাৎকারের চার দিন পরও ব্রিটিশ গণমাধ্যমগুলোর শিরোনাম দখল করে রেখেছিল অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ। যুবরাজকে ঘিরে এ কেলেঙ্কারির বিষয়টি যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতেও বড় ধরনের ছায়া ফেলেছে। মঙ্গলবার রাতে আইটিভিতে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও বিরোধীদলীয় নেতা জেরেমি করবিনের নির্বাচনী বিতর্কেও প্রসঙ্গটি উঠেছিল।

কনজারভেটিভ পার্টির নেতা জনসন তখন বলেছিলেন, রাজপরিবার সব ধরনের ‘নিন্দা ও ভর্ৎসনার ঊর্ধ্বে। অন্যদিকে করবিনের মতে, রাজপরিবারের খানিকটা ‘উন্নতি ঘটানো দরকার’। প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে যেসব ‘গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে’ সেগুলোর জবাব জানা জরুরি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

advertisement