advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ঘণ্টা বাজিয়ে টেস্টের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ক্রীড়া প্রতিবেদক, কলকাতা থেকে
২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০২:০৯
advertisement

বাংলাদেশ-ভারতের গোলাপি বলের প্রথম ঐতিহাসিক টেস্টের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খেলা শুরুর কিছু সময় মাঠে কাটিয়ে হোটেলে ফিরে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। পরে সন্ধ্যায় আবার আসেন খেলা দেখতে। উপস্থিত ছিলেন প্রথম দিনের সব কার্যক্রমের শেষ পর্যন্ত।
ইডেনে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক টেস্টে প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ পেয়েই সাড়া দেন। শেষবার ভারত সফর থেকে এসে তিনি বলেই দিয়েছিলেনÑ আগামী সফর শুধু খেলার উদ্দেশ্যেই। কোনো কূটনৈতিক তৎপরতা থাকবে না। তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীর এটা ছিল ভারতে দ্বিতীয়
সফর।
শেখ হাসিনা দুপুর সোয়া ১২টার পর ইডেন গার্ডেনসে প্রবেশ করেন মমতার সঙ্গে হাত নাড়তে নাড়তে। এ সময় তার পাশে ছিলেন ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলী ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে কলকাতা পুলিশ নিñিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা গড়ে তোলে। মাঠে প্রবেশ করেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা দুই দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শেখ হাসিনা। প্রথমে তিনি ভারতের খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেন। শেখ হাসিনাকে বিরাট কোহলির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন সৌরভ গাঙ্গুলী।
কোহলির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পর কোহলি তার দলের সব ক্রিকেটারের সঙ্গে শেখ হাসিনাকে পরিচয় করিয়ে দেন। শেখ হাসিনা সবার সঙ্গে হাত মেলান। ভারতের ক্রিকেটারদের সঙ্গে পরিচয় পর্ব শেষে নিজ দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলান এবং কথা বলেন। আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও আল শাহরিয়ার রোকন ছাড়া ২০০০ সালে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট খেলা বাংলাদেশ ক্রিকেটাররাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। শেখ হাসিনা তাদের সঙ্গেও কথা বলেন।
এর পর আসে ঘণ্টা বাজানোর মাহেন্দ্রক্ষণ। শেখ হাসিনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌরভ গাঙ্গুলী, শচিন টেন্ডুলকারকে সঙ্গে নিয়ে চলে যান ঘণ্টা বাজাতে। শেখ হাসিনা ও মমতা ঘণ্টা বাজানোর পর পরই শুরু হয় মুমিনুল-মুশফিকদের মাঠের লড়াই।
এই টেস্ট ঘিরে নানা আয়োজন করে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)। তবে আয়োজনের অনেক কিছুই শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন হয়েছে। খেলা শুরু হওয়ার আগে সময় স্বল্পতা এবং নিরাপত্তার কারণে প্যারাট্রুপার দিয়ে বল মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত বাতিল হয়। প্রথম দিনের খেলা শেষে প্রধানমন্ত্রী মাঠে বসে রুনা লায়লা ও জিৎ গাঙ্গুলীর পারফর্ম উপভোগ করেন।
এর আগে গতকাল বেলা সোয়া ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানে কলকাতার নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পশ্চিমবঙ্গের পুরমন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এ সময় ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন ১৪৪ জন।
এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে কলকাতার উদ্দেশে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

advertisement