advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ইবি দিবসে বর্ণাঢ্য আয়োজন
৩৪টি বিভাগকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই : ড. আসকারী

ইবি প্রতিনিধি
২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০০:২৭
advertisement

বর্ণাঢ্য আয়োজনে গতকাল শুক্রবার উদযাপন করা হয়েছে ৪১তম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন, দোয়া ও মিলাদ, শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

শোভাযাত্রা শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেছেন, ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের ৩৪টি বিভাগের প্রতিটিকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়েও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়।

উপাচার্য আরও বলেন, এখানে ৫৩৭ কোটি টাকার মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইসলামী বিশ^বিদ্যালয় জ্ঞানচর্চা, জ্ঞান বিতরণ এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নবজন্ম লাভ করেছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সেলিম তোহা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এসএম আবদুল লতিফ, প্রফেসর ড. মেহের আলী, প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ প্রমুখ।

পরে শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগ, অফিস, হল এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে স্ব-স্ব ব্যানার, প্লাকার্ড ও ফেস্টুনসহ বিপুলসংখ্যক শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থী বর্ণাঢ্য সাজে অংশ নেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় ইবি প্রশাসন ভবনের সামনে জাতীয় ও বিশ^বিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী ও উপউপাচার্য প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান যথাক্রমে জাতীয় ও বিশ^বিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন। এর পর বিশ^বিদ্যালয়ের মঙ্গল ও সার্বিক উন্নয়ন কামনা করে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়।

শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশ^বিদ্যালয়ে সার্বিক উন্নয়ন ও মঙ্গল কামনা করে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিকাল ৩টায় বিশ^বিদ্যালয়ের ‘বাংলা মঞ্চে’ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশ^বিদ্যালয় থিয়েটার মঞ্চস্থ করে নাটক ‘পন্তা অকালী’। পরে নৃত্যাঙ্গন ও বিশ^বিদ্যালয়ের শিল্পীরা নৃত্য, ও সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর ইসলামী বিশ^বিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলার মধ্যবর্তী স্থানে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ^বিদ্যালয় আজ দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উচ্চশিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপিঠ। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নাম নিয়ে বিতর্ক থাকলেও দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ইসলামী বিশ^বিদ্যালয় এ নিয়ে বিতর্ক নেই। বর্তমানে বিশ^বিদ্যালয়ে আটটি অনুষদের অধীনে ৩৪টি বিভাগ রয়েছে।

advertisement