advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

মমতার সামনে যত চ্যালেঞ্জ

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়ন হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৬ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৫ মে ২০২১ ২২:১২
advertisement

গতকাল বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ নিয়েছেন। এই পদে এটি তার হ্যাটট্রিক। কিন্তু তিনি এমন সময় দায়িত্ব কাঁধে নিলেন, যখন ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গও করোনাজ্বরে আক্রান্ত। আর এ কারণেই শপথ নিয়েই প্রথমেই তিনি রাজ্যজুড়ে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। খবর এনডিটিভি।

শুধু করোনাই নয়, মমতার সামনে আরও বেশ কিছু কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে- যেগুলো তাকে বেশ শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে। ইতোমধ্যে রাজ্যে নির্বাচনের পর সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শপথ অনুষ্ঠানেই রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বলেছেন, তিনি যে সহিংসতার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেন। নির্বাচনের পর স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন দলের সমর্থকদের মধ্যে বিভাজন দেখা দেয়। এ নিয়ে খুনখারাবির ঘটনাও ঘটে। রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মমতাকেই বড় ভূমিকা নিতে হবে। যদিও ইতোমধ্যে তিনি এ নিয়ে নানা নির্দেশনা দিয়েছেন। এদিকে বিজেপি হারলেও চার বছরের ব্যবধানে বিজেপি যে উত্থান দেখিয়েছে, তা যে সামনের দিনে আরও বাড়বে না তার গ্যারান্টি নেই। কাজেই এখনই মমতাকে সেটিও ভাবতে হবে। এ নির্বাচনে জয়ের পর বিজেপিবিরোধীরা ইতোমধ্যে মমতাকে কেন্দ্রের রাজনীতিতে মোদির বিরুদ্ধে একমাত্র মুখ হিসেবে দেখছেন। এর আগে মমতাও বলেছেন দিল্লি জয়ের কথা। রাজ্য জয় হলেও দিল্লি জয় নিশ্চয়ই অতটা সহজ হবে না।

সব কিছুর পর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই হবে মমতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি পাঁচ বছরে ৩৫ লাখ মানুষকে দারিদ্র্যরেখা থেকে ওপরে তোলা হবে। তার মানে বছরে সাত লাখ অত্যন্ত গরিব মানুষ একটু স্বাচ্ছন্দ্যের মুখ দেখবে। তার পর অতিগরিব মানুষের সংখ্যা থাকবে মাত্র ৫ শতাংশ। কীভাবে এই কাজ করা হবে, তার কোনো রূপরেখা ইশতেহারে ছিল না। এ ছাড়া তিনি বলেছিলেন, প্রতিবছর পাঁচ লাখ বেকারের কর্মসংস্থান হবে। এটি বাস্তবায়নও কম কথা না। বেকার সমস্যার পাশাপাশি প্রতিবছর ১০ লাখ ছোট ও মাঝারি শিল্প হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

এদিকে কেন্দ্রে বিজেপি সরকারের সঙ্গে তিক্ত সম্পর্ক রেখে রাজ্যে সার্বিক উন্নয়ন মমতা কতটা সচল রাখতে পারেন, সেটিই বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এবার জয়ের পর মমতা আগের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়েছেন। এবার নির্বাচনে কোনো পূর্বাভাসই তৃণমূলকে এতটা এগিয়ে রাখেনি। কিন্তু বাস্তবে তাই হলো। তবে মমতাকে মনে রাখতে হবে- বিপুল বিজয়ের ভারও কম নয়।

advertisement