advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানালেন
চীনের পাঁচ লাখ টিকা আসছে ১২ মে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
৬ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৫ মে ২০২১ ২২:২৫
advertisement

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন জানিয়েছেন, আগামী ১২ মে চীনের কাছ থেকে পাঁচ লাখ ডোজ টিকা আসছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে করোনা টিকা পাওয়ার অগ্রগতি আজ বৃহস্পতিবার দেশটির রাষ্ট্রদূত জানাবেন। গতকাল বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

ড. মোমেন বলেন, ‘আমরা অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন আনার চেষ্টা করছি। এখনো আপডেট পাইনি। ভ্যাকসিন ইস্যুতে আমরা বিভিন্ন রকম প্রস্তাব পেয়েছি। একটি প্রস্তাব হচ্ছে, ইউরোপের সাতটি দেশে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন বেশি আছে, যা তারা ব্যবহার করছে না। এটা আমরা ব্যবহারের চেষ্টা করতে পারি। আমরা এসব দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। তবে তাদের কাছে খুব বেশি ভ্যাকসিন নেই। কিন্তু আমাদের দেশে প্রতিদিন প্রয়োজন

দুই লাখের বেশি ভ্যাকসিন। আবার ইউরোপের ওই দেশগুলো থেকে অন্য দেশগুলোও ভ্যাকসিন পেতে লাইন দিয়েছে। তাই এসব দেশ থেকে ১০-২০ হাজার করে ভ্যাকসিন এনে আমাদের চাহিদা পূরণ করার প্রস্তাব খুব বেশি কার্যকর হবে না।’

তবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থাকা টিকার মজুদ বাংলাদেশকে আশা দেখাচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা বলেছে তাদের ৬০ মিলিয়ন ভ্যাকসিন আছে, যা ব্যবহার করছে না। এটা জানার সঙ্গে সঙ্গে আমরা আমেরিকাকে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে বলেছি, আবার ওয়াশিংটনে নিযুক্ত আমাদের রাষ্ট্রদূত বাইডেন প্রশাসনকে অনুরোধ করেছে। আমেরিকা আমাদের ভ্যাকসিন দেবে। ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আগামীকাল (৬ মে) আমার সঙ্গে দেখা করে এ বিষয়ে অগ্রগতি জানাবেন। আর আমাদের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছে, আমেরিকা যখন ভ্যাকসিন পাঠাবে তখন তারা অক্সিজেনও দেবে। আলোচনা চলছে, তবে কখন পাঠাবে সেটি এখনো ঠিক হয়নি।’

চীনের টিকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘চীনের রাষ্ট্রদূত আমাদের জানিয়েছেন, মে দিবসের ছুটি শেষে আগামী ১২ মে তাদের ভ্যাকসিন ঢাকায় আসবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১০ তারিখের কথা বলেছেন, সেও জেনেই বলেছেন। কেননা ভ্যাকসিন কবে আসবে, কতটুকু আসবে, দাম কত হবে এসব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঠিক করে। আমরা শুধু যোগাযোগ ঘটিয়ে দিই। আর এসব ভ্যাকসিন কেনার জন্য প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে ১০ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন দিয়ে রেখেছেন।’ রাশিয়ার সঙ্গে ক্রয় চুক্তি বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তারা কিছু ডকুমেন্ট পাঠিয়েছিল এবং আমাদের রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে বারবার তাগাদা দিচ্ছে। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি এবং জেনেছি তার কাছে ডকুমেন্টগুলো অনেক পরে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলা হয়েছে ডকুমেন্টগুলো একতরফা। অর্থাৎ কত টাকায় রাশিয়া বিক্রি করবে বা কতটুকু পাঠাবে সেটি উল্লেখ আছে। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বললাম, এটি রাশিয়ার ডকুমেন্ট এবং তারা তাদের কথাই লিখবে। উনি বললেন, যদি তারা চালান দিতে ব্যর্থ হয় তবে কী পেনাল্টি হবে সেটি লেখা নেই। আমি বললাম, পেনাল্টির কথা রাশিয়া কেন লিখবে, সেটি তো লিখবেন আপনি। আপনি যেগুলো চান সেগুলো কাউন্টার প্রস্তাব দেন। এটি দরকষাকষি করে ঠিক করা হবে। তবে একটি জিনিস মনে রাখবেন, এ ওষুধের বাজারে বিক্রেতারা এখন বেশি ক্ষমতা রাখে। কারণ এটি সবাই তৈরি করে না। কাজেই যা বলবেন এবং করবেন বুঝে শুনে করবেন।’

advertisement