advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

গ্রামে অবকাঠামো নির্মাণেও নিতে হবে অনুমতি : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৫ মে ২০২১ ২২:৩৯
advertisement

গ্রামে যে কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করতে হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমতি নিয়েই করতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। গতকাল বুধবার মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবন থেকে সেভ দ্য চিলড্রেন ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স আয়োজিত ‘মেয়র সংলাপ : নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর’বিষয়ক ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ দর্শনের ফলে শহরের সব সুযোগ-সুবিধা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে পৌঁছে দিচ্ছে সরকার। তাই এখন থেকেই গ্রামকে পরিকল্পিতভাবে

গড়ে তুলতে হবে। গ্রামগঞ্জে কোথাও কেউ যদি বাসাবাড়ি, দোকানপাট, মসজিদ-মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লাব কিংবা অফিস-আদালতসহ যে কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করতে চায়, তা হলে অবশ্যই একটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদকে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।’

তাজুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন আসতেই পারে। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে গ্রামে অপরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো নির্মাণ ঠেকানো যাবে না। ইউনিয়ন পরিষদকে এ বিষয়ে ক্ষমতায়ন করার পর তারা যাতে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে না পারে, সে জন্য উপজেলা পরিষদকে সংযুক্ত করা হবে। কেউ যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে, তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনো অবস্থায় পূর্ব অনুমতি ছাড়া কৃষিজমিতে বাড়িঘর বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান/স্থাপনা নির্মাণ করতে দেওয়া যাবে না।

রাজধানীতে জোনভিত্তিক বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসসহ অন্যান্য ইউটিলিটি সার্ভিসের বিল নির্ধারণ করার ওপর পুনরায় গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, গুলশান, বনানী-বারিধারা এলাকার মতো যাত্রাবাড়ী বা স্বল্প আয়ের মানুষ বসবাসরত এলাকার ইউটিলিটি বিল সমান হতে পারে না। এটা নির্ধারণ করা যুক্তিসঙ্গতও হবে না। তাজুল ইসলাম বলেন, নাগরিক সেবার নামে যত্রতত্র রাস্তা কেটে জনদুর্ভোগ তৈরি না করে সরকারের সব সংস্থা/দপ্তরের সমন্বয় করে জনসেবা এবং নগরের উন্নয়ন করতে হবে।

advertisement